

হামিদ মোহাম্মদ, যুক্তরাজ্য

ব্রিটেনের লন্ডনের বার্কিং অ্যান্ড ডেগেনহাম কাউন্সিলে বাংলাদেশি অজন্তা দেব রায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন।
তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৭৭৪টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির বেন সুটারের চেয়ে ১৯৪ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন। শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত এ ওয়ার্ডে নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। সম্প্রতি (২৮ নভেম্বর) এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অজন্তা দেব রায় একজন মানবাধিকার কর্মী। মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকার নাম ‘ভিলেজ ওয়ার্ড’। একই ওয়ার্ডে উপনির্বাচনে দুজন কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর লি ওয়েকার প্রয়াত এবং মার্গারেট মুলেন এমপি নির্বাচিত হলে দুটি পদ শূন্য হয়। এতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অজন্তা দেব রায় লেবার পার্টি থেকে প্রার্থী হন। এই ওয়ার্ডে তিনি প্রথম বাঙালি কাউন্সিলর।
অজন্তা দেব রায় এক দশক আগে লন্ডনে শিক্ষার্থী হিসেবে আসেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিশ্বের দেশে দেশে এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে সুনাম কুড়ান।
অজন্তা দেব রায়ের বাংলাদেশে বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলায়। বাবা জোর্তিময়দেব রায় ও মা রমারানী দেব। সিলেটের মুরারী চাঁদ কলেজের কৃতী শিক্ষার্থী অজন্তা ২০০১ সালে বাংলাদেশে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। ভারতের বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনির্ভাসিটি অব চেস্টারশায়ার থেকে এমবিএ ও লন্ডনের সোয়াস থেকে পলিটিক্স রাইটস অ্যান্ড জাস্টিস বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি বিতার্কিকের পাশাপাশি আবৃত্তি শিল্পী, অভিনয় শিল্পী, সংস্কৃতি কর্মী ও সমাজসেবক।

ব্রিটেনের লন্ডনের বার্কিং অ্যান্ড ডেগেনহাম কাউন্সিলে বাংলাদেশি অজন্তা দেব রায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন।
তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৭৭৪টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির বেন সুটারের চেয়ে ১৯৪ ভোট বেশি পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন। শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত এ ওয়ার্ডে নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। সম্প্রতি (২৮ নভেম্বর) এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অজন্তা দেব রায় একজন মানবাধিকার কর্মী। মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকার নাম ‘ভিলেজ ওয়ার্ড’। একই ওয়ার্ডে উপনির্বাচনে দুজন কাউন্সিলার নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর লি ওয়েকার প্রয়াত এবং মার্গারেট মুলেন এমপি নির্বাচিত হলে দুটি পদ শূন্য হয়। এতে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অজন্তা দেব রায় লেবার পার্টি থেকে প্রার্থী হন। এই ওয়ার্ডে তিনি প্রথম বাঙালি কাউন্সিলর।
অজন্তা দেব রায় এক দশক আগে লন্ডনে শিক্ষার্থী হিসেবে আসেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিশ্বের দেশে দেশে এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মী হিসেবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে সুনাম কুড়ান।
অজন্তা দেব রায়ের বাংলাদেশে বাড়ি জগন্নাথপুর উপজেলায়। বাবা জোর্তিময়দেব রায় ও মা রমারানী দেব। সিলেটের মুরারী চাঁদ কলেজের কৃতী শিক্ষার্থী অজন্তা ২০০১ সালে বাংলাদেশে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। ভারতের বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনির্ভাসিটি অব চেস্টারশায়ার থেকে এমবিএ ও লন্ডনের সোয়াস থেকে পলিটিক্স রাইটস অ্যান্ড জাস্টিস বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি বিতার্কিকের পাশাপাশি আবৃত্তি শিল্পী, অভিনয় শিল্পী, সংস্কৃতি কর্মী ও সমাজসেবক।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।