
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স’ ও ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস’ উদ্যাপন করেছে।
এ উপলক্ষে গত সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানী মানামায় এব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সারোয়ারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, রেমিট্যান্সযোদ্ধা, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বরণ করেন সকল জুলাই-আগষ্ট শহিদদের। তিনি বাংলাদেশ ও বাহরাইন উভয় দেশে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রবাসীদেরকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

পরিশেষে জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা এবং বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার্স’ ও ‘রেমিট্যান্সযোদ্ধা দিবস’ উদ্যাপন করেছে।
এ উপলক্ষে গত সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানী মানামায় এব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সারোয়ারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, রেমিট্যান্সযোদ্ধা, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আলোচনা পর্বের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বরণ করেন সকল জুলাই-আগষ্ট শহিদদের। তিনি বাংলাদেশ ও বাহরাইন উভয় দেশে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রবাসীদেরকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।

পরিশেষে জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা এবং বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।