
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসীদের জন্য এক বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প।

শুক্রবার (২০ জুন) বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে হীদ কমিউনিটি সেন্টারে এই মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।

এই ক্যাম্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইনকানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

এই ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের শ্রম মন্ত্রণালয়, শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এলএমআরএ), ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার নিজে কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তিনি বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সকল প্রতিনিধিদেরকে সেমিনারে উপস্থিত এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস দিনব্যাপী মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে। এতে বাহরাইনের হীদ, গালালি, আরাদ ও আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসীদের জন্য এক বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প।

শুক্রবার (২০ জুন) বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে হীদ কমিউনিটি সেন্টারে এই মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।

এই ক্যাম্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইনকানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

এই ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের শ্রম মন্ত্রণালয়, শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এলএমআরএ), ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার নিজে কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তিনি বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সকল প্রতিনিধিদেরকে সেমিনারে উপস্থিত এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস দিনব্যাপী মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে। এতে বাহরাইনের হীদ, গালালি, আরাদ ও আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।