
নাসিম আহমদ, স্টকহোম, সুইডেন

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখা গত রোববার (৬ এপ্রিল) স্টকহোমের সিস্তার একটি হলে মুজিব আদর্শের নেতা–কর্মীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখার সহসভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।
আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখার সহসভাপতি হাজী জুলফিকার হায়দার।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্য ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনীর আলোচনা সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম তাঁর স্বাগত বক্তব্যে ৫ আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশে নির্বিচারে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপর হামলা মামলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন আমরা প্রবাসে মুজিব আদর্শের সবাই দেশের নির্যাতিত কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।
উপস্থিত নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, কাজী কুদ্দুস, জুলফিকার হায়দার, ইফতেখার জুয়েল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আফছার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিম আহমদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নীলা চৌধুরী, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওয়াছেল সরকার, সদস্য আ ফ ম মাছুম, সিনিয়র নেতা জাহিদ রহমান ভুঁইয়া, আল আজাদ মঞ্জু, যুবলীগের সুইডেন শাখার শেখ মাহবুব আলম লাবু।
সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন তাঁর বক্তব্যে বলেন দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যেভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রবাসী সকল নেতাকর্মীদের পদ–পদবী লোভ থেকে সরে এসে প্রবাসে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
সবশেষে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে আগতদের ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুইডেন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তপন ঘোষ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত জাহান, সদস্য আখতার হোসেন, নাছিমুল ইসলাম, জাহিদ রহমান, পারভীন কবির, বাবুল মিয়া, নুরুল হক চৌধুরী, হেলেনা আক্তার ও যুবলীগের শেখ মিন্টু।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখা গত রোববার (৬ এপ্রিল) স্টকহোমের সিস্তার একটি হলে মুজিব আদর্শের নেতা–কর্মীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখার সহসভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।
আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন আওয়ামী লীগের সুইডেন শাখার সহসভাপতি হাজী জুলফিকার হায়দার।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্য ও একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনীর আলোচনা সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম তাঁর স্বাগত বক্তব্যে ৫ আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশে নির্বিচারে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপর হামলা মামলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেন আমরা প্রবাসে মুজিব আদর্শের সবাই দেশের নির্যাতিত কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।
উপস্থিত নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, কাজী কুদ্দুস, জুলফিকার হায়দার, ইফতেখার জুয়েল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আফছার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিম আহমদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নীলা চৌধুরী, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওয়াছেল সরকার, সদস্য আ ফ ম মাছুম, সিনিয়র নেতা জাহিদ রহমান ভুঁইয়া, আল আজাদ মঞ্জু, যুবলীগের সুইডেন শাখার শেখ মাহবুব আলম লাবু।
সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন তাঁর বক্তব্যে বলেন দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যেভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রবাসী সকল নেতাকর্মীদের পদ–পদবী লোভ থেকে সরে এসে প্রবাসে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
সবশেষে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে আগতদের ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুইডেন শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তপন ঘোষ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত জাহান, সদস্য আখতার হোসেন, নাছিমুল ইসলাম, জাহিদ রহমান, পারভীন কবির, বাবুল মিয়া, নুরুল হক চৌধুরী, হেলেনা আক্তার ও যুবলীগের শেখ মিন্টু।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে