
বিডিজেন ডেস্ক

কানাডার টরন্টোতে দুই দিনব্যাপী নাট্যোৎসব করেছে ‘নাট্যসঙ্ঘ’। নাট্যোৎসবে নাটক দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
২ ও ৩ নভেম্বর টরন্টোর স্কারবরোতে সেন্ট জন হেনরি নিউম্যান ক্যাথলিক হাই স্কুলের অডিটোরিয়ামে এ নাট্যোৎসব আয়োজন করা হয়।
এতে কয়েকশ প্রবাসী দর্শকের উপস্থিতিতে মঞ্চস্থ হয় ‘পৌরাণিক’ ও ‘রামগরুড়ের ছানা’। নাট্যকার ও নির্দেশক ছিলেন সুব্রত পুরু।
উৎসবের প্রথম পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয় শ্রুতি-মঞ্চনাটক ‘পৌরাণিক’। নাটকটিতে ব্যবহৃত মৌলিক গান দুটি লিখেছেন নির্দেশক পুরু, সুরারোপ করেছেন অমিতাভ দাস।
নাটকটিতে আবহমান প্রেমের জয়গান প্রতিধ্বনিত হয়েছে জানিয়ে নির্দেশক সুব্রত পুরু বলেন, ‘পৌরাণিক’ রচনাতে ধীরাজ ভট্টাচার্যের ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ময়মনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়া’ দৃশ্যপালার সংলাপের সরাসরি ব্যবহার হয়েছে। এ ছাড়া, শ্রীনিবাস মিউজিকের ‘মহুয়া’ নৃত্যনাট্যের অংশবিশেষও ব্যবহার করা হয়েছে।
উৎসবের দ্বিতীয় ও শেষ পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয় মৌলিক নাটক ‘রামগরুড়ের ছানা’। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহমুদুল ইসলাম সেলিম।
তিনি বলেন, ‘নাটকগুলো মঞ্চায়নের আগে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো করে প্রায় ছয় মাস টানা মহড়া করেছে নাট্যসঙ্ঘের বন্ধুরা। মহড়ার ওই কু ঝিক ঝিক রেলযাত্রার একেবারে শেষপ্রান্তে এসে আমি ওদের সঙ্গী হয়েছিলাম। আমার যাপিত জীবনের থিয়েটারের ঝুলিতে যুক্ত হলো আরও একটা অনন্য অভিজ্ঞতা।’
রামগরুড়ের ছানা নামটি ছড়াকার সুকুমার রায়ের ছড়ার নাম অবলম্বনে হয়েছে জানিয়ে সুব্রত পুরু বলেন, ‘থার্ড ফরমেট’ আদলে নির্মিত স্যাটায়ার ভিত্তিক নাটক ‘রামগরুড়ের ছানায়’ প্রবাস জীবনের বিভিন্ন টানাপোড়েন তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
নাটক দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শক রুনিয়া রাহনামা বলেন, ‘পৌরাণিক’ প্রাচীন গ্রিক প্রেম কাহিনির সঙ্গে আবহমান গ্রাম-বাংলার প্রেম কাহিনির সম্মিলন, সঙ্গে পাহাড়ি গান ও নৃত্যের সংযোজন। দারুণ ক্রিয়েটিভ মনে হয়েছে। আর ‘রামগরুড়ের ছানা’ নাটকটিতে কমেডি, মেলোড্রামা, ড্রামা সব উপকরণ ভরপুর ছিল। সত্যি হাসতে হাসতে আমি এক পর্যায়ে আরেকজনের গায়ে গড়িয়ে পড়ছিলাম।’
আরেক দর্শক আফরিনা রাহমান বলেন, অনেক দিন পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে নাটক দেখার অনুভূতি ফিরে পেলাম। সবাই মিলেমিশে হই-হুল্লোড় করে শিস বাজিয়ে দেখার মতো, একদম পয়সা উসুল।
উৎসবে গান শোনান রনি প্রেন্টিস রয় ও সোনালী রায়। এবারের নাট্যপত্রের জন্য বাংলাদেশ থেকে লেখা পাঠান নাট্যশিল্পী মুনিরা ইউসুফ মেমী, নাট্যকার রুবাইয়াৎ আহমেদ ও ধ্রুপদী আর্ট সেন্টারের পরিচালক সামিউন জাহান দোলা।
২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘নাট্যসঙ্ঘ’ মৌলিক নাটক নিয়ে কাজ করে। এর আগে অনুষ্ঠিত দুটি নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হয় নাটক ‘তিন মাতালের কাণ্ড’ এবং ‘গন্ধগোকুল’।

কানাডার টরন্টোতে দুই দিনব্যাপী নাট্যোৎসব করেছে ‘নাট্যসঙ্ঘ’। নাট্যোৎসবে নাটক দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
২ ও ৩ নভেম্বর টরন্টোর স্কারবরোতে সেন্ট জন হেনরি নিউম্যান ক্যাথলিক হাই স্কুলের অডিটোরিয়ামে এ নাট্যোৎসব আয়োজন করা হয়।
এতে কয়েকশ প্রবাসী দর্শকের উপস্থিতিতে মঞ্চস্থ হয় ‘পৌরাণিক’ ও ‘রামগরুড়ের ছানা’। নাট্যকার ও নির্দেশক ছিলেন সুব্রত পুরু।
উৎসবের প্রথম পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয় শ্রুতি-মঞ্চনাটক ‘পৌরাণিক’। নাটকটিতে ব্যবহৃত মৌলিক গান দুটি লিখেছেন নির্দেশক পুরু, সুরারোপ করেছেন অমিতাভ দাস।
নাটকটিতে আবহমান প্রেমের জয়গান প্রতিধ্বনিত হয়েছে জানিয়ে নির্দেশক সুব্রত পুরু বলেন, ‘পৌরাণিক’ রচনাতে ধীরাজ ভট্টাচার্যের ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ময়মনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়া’ দৃশ্যপালার সংলাপের সরাসরি ব্যবহার হয়েছে। এ ছাড়া, শ্রীনিবাস মিউজিকের ‘মহুয়া’ নৃত্যনাট্যের অংশবিশেষও ব্যবহার করা হয়েছে।
উৎসবের দ্বিতীয় ও শেষ পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হয় মৌলিক নাটক ‘রামগরুড়ের ছানা’। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহমুদুল ইসলাম সেলিম।
তিনি বলেন, ‘নাটকগুলো মঞ্চায়নের আগে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো করে প্রায় ছয় মাস টানা মহড়া করেছে নাট্যসঙ্ঘের বন্ধুরা। মহড়ার ওই কু ঝিক ঝিক রেলযাত্রার একেবারে শেষপ্রান্তে এসে আমি ওদের সঙ্গী হয়েছিলাম। আমার যাপিত জীবনের থিয়েটারের ঝুলিতে যুক্ত হলো আরও একটা অনন্য অভিজ্ঞতা।’
রামগরুড়ের ছানা নামটি ছড়াকার সুকুমার রায়ের ছড়ার নাম অবলম্বনে হয়েছে জানিয়ে সুব্রত পুরু বলেন, ‘থার্ড ফরমেট’ আদলে নির্মিত স্যাটায়ার ভিত্তিক নাটক ‘রামগরুড়ের ছানায়’ প্রবাস জীবনের বিভিন্ন টানাপোড়েন তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
নাটক দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শক রুনিয়া রাহনামা বলেন, ‘পৌরাণিক’ প্রাচীন গ্রিক প্রেম কাহিনির সঙ্গে আবহমান গ্রাম-বাংলার প্রেম কাহিনির সম্মিলন, সঙ্গে পাহাড়ি গান ও নৃত্যের সংযোজন। দারুণ ক্রিয়েটিভ মনে হয়েছে। আর ‘রামগরুড়ের ছানা’ নাটকটিতে কমেডি, মেলোড্রামা, ড্রামা সব উপকরণ ভরপুর ছিল। সত্যি হাসতে হাসতে আমি এক পর্যায়ে আরেকজনের গায়ে গড়িয়ে পড়ছিলাম।’
আরেক দর্শক আফরিনা রাহমান বলেন, অনেক দিন পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে নাটক দেখার অনুভূতি ফিরে পেলাম। সবাই মিলেমিশে হই-হুল্লোড় করে শিস বাজিয়ে দেখার মতো, একদম পয়সা উসুল।
উৎসবে গান শোনান রনি প্রেন্টিস রয় ও সোনালী রায়। এবারের নাট্যপত্রের জন্য বাংলাদেশ থেকে লেখা পাঠান নাট্যশিল্পী মুনিরা ইউসুফ মেমী, নাট্যকার রুবাইয়াৎ আহমেদ ও ধ্রুপদী আর্ট সেন্টারের পরিচালক সামিউন জাহান দোলা।
২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘নাট্যসঙ্ঘ’ মৌলিক নাটক নিয়ে কাজ করে। এর আগে অনুষ্ঠিত দুটি নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হয় নাটক ‘তিন মাতালের কাণ্ড’ এবং ‘গন্ধগোকুল’।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে