
বিডিজেন ডেস্ক

সুইস কনফডারেশনের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে ফেডারেল প্যালেসে আয়োজিত এক ঐতিহ্যবাহী ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেনেভার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ফজলে লোহানী বাবু ও কাউন্সেলর সবুজ আহমেদ।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সুইস পররাষ্ট্রবিষয়ক ফেডারেল বিভাগের হেড অব প্রোটোকল টেরেন্স বিলেটার উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট পারমেলিন বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করা হয় বলে পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ অংশীদারত্ব আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি প্রেসিডেন্ট পারমেলিনকে অবহিত করেন, বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সারাদেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান প্রেসিডেন্ট পারমেলিনকে বার্নে বাংলাদেশের একটি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও অবহিত করেন। প্রেসিডেন্ট পারমেলিন এ সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সন্তোষ ও উৎসাহ প্রকাশ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি

সুইস কনফডারেশনের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে ফেডারেল প্যালেসে আয়োজিত এক ঐতিহ্যবাহী ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেনেভার বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর ফজলে লোহানী বাবু ও কাউন্সেলর সবুজ আহমেদ।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে সুইস পররাষ্ট্রবিষয়ক ফেডারেল বিভাগের হেড অব প্রোটোকল টেরেন্স বিলেটার উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট পারমেলিন বাংলাদেশের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করা হয় বলে পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ অংশীদারত্ব আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি প্রেসিডেন্ট পারমেলিনকে অবহিত করেন, বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সারাদেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান প্রেসিডেন্ট পারমেলিনকে বার্নে বাংলাদেশের একটি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের কথাও অবহিত করেন। প্রেসিডেন্ট পারমেলিন এ সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সন্তোষ ও উৎসাহ প্রকাশ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ডের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। বিজ্ঞপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।