
বকুল খান, মাদ্রিদ, স্পেন
স্পেনে প্রায় প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে অভিবাসনের প্রত্যাশী বাংলাদেশির সংখ্যা। এ কারণে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় খাবারের চাহিদাও বাড়ছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে মাদ্রিদের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় দুই বাংলাদেশি তরুণ শতভাগ হালাল খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে 'মধুর ক্যান্টিন' ও কাচ্চি হাউস নামে খাবারের দোকান দিয়েছেন।

দুই বাংলাদেশি হলেন ওমর ফারুক ও নজরুল ইসলাম। তাদের রয়েছে কাবাবসহ বিভিন্ন খাবার তৈরির অভিজ্ঞতা। দুই উদ্যোক্তা জানান, বাংলাদেশিদের রুচি, মান, চাহিদা এবং দাম বিবেচনা রেখেই তারা যাত্রা শুরু করেছেন। অদূর ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দূরে গিয়ে নয়, বাসা বাড়ির কাছাকাছি পাবেন গ্রিল, কাচ্চি বিরানির আসল স্বাদ।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর খাবারের দোকানটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মাদ্রিদের বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের খতিব হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী আবুল কাশেম বলেন, বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় গ্রিল খাবারের সংযোজন এই প্রথম।
মসজিদ কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার তার প্রতিক্রিয়া বলেন, আমাদের ইসলামিক কালচার গঠন করতে হবে এবং সকল ক্ষেত্রে আমাদের হালাল খাবার-দাবারের প্রতি গুরুত্ব সহকারে নজর দিতে হবে। মধুর ক্যান্টিন ও কাচ্চি হাউস এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
খাবারের দোকানটির অবস্থান calle valencia 24,madrid-28012.
স্পেনে প্রায় প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে অভিবাসনের প্রত্যাশী বাংলাদেশির সংখ্যা। এ কারণে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় খাবারের চাহিদাও বাড়ছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে মাদ্রিদের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় দুই বাংলাদেশি তরুণ শতভাগ হালাল খাবারের নিশ্চয়তা দিয়ে 'মধুর ক্যান্টিন' ও কাচ্চি হাউস নামে খাবারের দোকান দিয়েছেন।

দুই বাংলাদেশি হলেন ওমর ফারুক ও নজরুল ইসলাম। তাদের রয়েছে কাবাবসহ বিভিন্ন খাবার তৈরির অভিজ্ঞতা। দুই উদ্যোক্তা জানান, বাংলাদেশিদের রুচি, মান, চাহিদা এবং দাম বিবেচনা রেখেই তারা যাত্রা শুরু করেছেন। অদূর ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দূরে গিয়ে নয়, বাসা বাড়ির কাছাকাছি পাবেন গ্রিল, কাচ্চি বিরানির আসল স্বাদ।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর খাবারের দোকানটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মাদ্রিদের বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের খতিব হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী আবুল কাশেম বলেন, বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় গ্রিল খাবারের সংযোজন এই প্রথম।
মসজিদ কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার তার প্রতিক্রিয়া বলেন, আমাদের ইসলামিক কালচার গঠন করতে হবে এবং সকল ক্ষেত্রে আমাদের হালাল খাবার-দাবারের প্রতি গুরুত্ব সহকারে নজর দিতে হবে। মধুর ক্যান্টিন ও কাচ্চি হাউস এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
খাবারের দোকানটির অবস্থান calle valencia 24,madrid-28012.
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।