
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের রেডব্রিজ চার্চ মিলনায়তনে আনন্দধারা আর্টসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক অনন্য প্রযোজনা ‘নজরুল উৎসব ২০২৬’। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম ও উত্তরাধিকারকে ঘিরে এই আয়োজন সত্যিকার অর্থে হয়ে ওঠে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই দিকপালের বর্ণাঢ্য জীবন উদ্যাপন। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানজুড়ে অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিপুল সমাগম ঘটে। গত ১৩ জুন (শনিবার) এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

উৎসবের সূচনা হয় শিশুদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে। নজরুলসংগীত ও কবিতা আবৃত্তিতে তারা দর্শকদের মনে জাগিয়ে তোলে গভীর নস্টালজিয়ায়। ছোট্ট শিল্পীরা শৈশবের বহু প্রিয় গান ও কবিতা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, আর দর্শকেরাও সমবেত কণ্ঠে তাদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে এক উষ্ণ ও আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেন।

সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল আনন্দধারা আর্টসের আবৃত্তি শিল্পীদের পরিবেশনায় নজরুলের কালজয়ী কবিতা ‘বিদ্রোহী’ আবৃত্তি। মনিরুল ইসলাম ও মাটি সিদ্দিকীর নৃত্য পরিবেশনার সঙ্গে এই উপস্থাপনা ছিল সত্যিই অনন্য যা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।

এর পর আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীরা নজরুলের দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবী গান পরিবেশন করেন। মনিরুল ইসলাম ও মাটি সিদ্দিকীর নৃত্য পরিবেশনা এই সঙ্গীতানুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। সংগীত ও নৃত্যের অপূর্ব সমন্বয়ে দর্শকদের জন্য সৃষ্টি হয় এক মুগ্ধকর অভিজ্ঞতা।

আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ পরিবেশনাগুলোর পাশাপাশি নজরুলের জীবনযাত্রার গল্প বর্ণনা করেন। তিনি কবির জীবনকাহিনীকে তার সাহিত্য ও সংগীতসৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত উপস্থাপন করেন, যা সত্যিই কবির জীবন দর্শনকে নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজী নজরুল ইসলামের প্রপৌত্রী নূপুর কাজী। তার হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠ ও আবেগময় পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানে সংগত করেন একদল প্রতিভাবান শিল্পী। তারা হলেন অমিত দে, ওমি ইসলাম, দেওয়ান তানিম, মিলন বিশ্বাস এবং অনিরুদ্ধ মুখার্জী। তাদের অসাধারণ সংগীত সহযোগিতা পরিবেশনাগুলোকে প্রাণবন্ত করে তোলে। এ অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন ও এর কর্ণধার জয়দীপ রায়। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন গোলাম আকবর মুক্তা ও শব্দ সঞ্চালনায় ছিলেন আরাফাত কীর্তি।

উৎসবের তাৎপর্য সম্পর্কে ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “নজরুল ছিলেন মানবতার কবি। তার সাহিত্য ও সংগীত আজও গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক এবং এই অস্থির পৃথিবীতে আমাদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে।”
তিনি ভবিষ্যতেও কিংবদন্তি বাঙালি কবি, সুরকার ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্বের উত্তরাধিকার উদ্যাপনে নানা আয়োজন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

কানায় কানায় পূর্ণ মিলনায়তনে দর্শকদের অনেককেই দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়। তবুও পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকরা পিনপতন নীরবতায় প্রতিটি পরিবেশনা ও উপস্থাপনা উপভোগ করেন। ‘নজরুল উৎসব ২০২৬’ সত্যিই ছিল এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা এবং কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরন্তন উত্তরাধিকারের প্রতি এক যথার্থ শ্রদ্ধার্ঘ্য যা দর্শক শ্রোতাদের বহুদিন মনে থাকবে।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের রেডব্রিজ চার্চ মিলনায়তনে আনন্দধারা আর্টসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক অনন্য প্রযোজনা ‘নজরুল উৎসব ২০২৬’। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম ও উত্তরাধিকারকে ঘিরে এই আয়োজন সত্যিকার অর্থে হয়ে ওঠে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের এই দিকপালের বর্ণাঢ্য জীবন উদ্যাপন। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানজুড়ে অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিপুল সমাগম ঘটে। গত ১৩ জুন (শনিবার) এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

উৎসবের সূচনা হয় শিশুদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে। নজরুলসংগীত ও কবিতা আবৃত্তিতে তারা দর্শকদের মনে জাগিয়ে তোলে গভীর নস্টালজিয়ায়। ছোট্ট শিল্পীরা শৈশবের বহু প্রিয় গান ও কবিতা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, আর দর্শকেরাও সমবেত কণ্ঠে তাদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে এক উষ্ণ ও আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেন।

সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল আনন্দধারা আর্টসের আবৃত্তি শিল্পীদের পরিবেশনায় নজরুলের কালজয়ী কবিতা ‘বিদ্রোহী’ আবৃত্তি। মনিরুল ইসলাম ও মাটি সিদ্দিকীর নৃত্য পরিবেশনার সঙ্গে এই উপস্থাপনা ছিল সত্যিই অনন্য যা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।

এর পর আনন্দধারা আর্টসের শিল্পীরা নজরুলের দেশাত্মবোধক ও বিপ্লবী গান পরিবেশন করেন। মনিরুল ইসলাম ও মাটি সিদ্দিকীর নৃত্য পরিবেশনা এই সঙ্গীতানুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে। সংগীত ও নৃত্যের অপূর্ব সমন্বয়ে দর্শকদের জন্য সৃষ্টি হয় এক মুগ্ধকর অভিজ্ঞতা।

আনন্দধারা আর্টসের পরিচালক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ পরিবেশনাগুলোর পাশাপাশি নজরুলের জীবনযাত্রার গল্প বর্ণনা করেন। তিনি কবির জীবনকাহিনীকে তার সাহিত্য ও সংগীতসৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত উপস্থাপন করেন, যা সত্যিই কবির জীবন দর্শনকে নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজী নজরুল ইসলামের প্রপৌত্রী নূপুর কাজী। তার হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠ ও আবেগময় পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানে সংগত করেন একদল প্রতিভাবান শিল্পী। তারা হলেন অমিত দে, ওমি ইসলাম, দেওয়ান তানিম, মিলন বিশ্বাস এবং অনিরুদ্ধ মুখার্জী। তাদের অসাধারণ সংগীত সহযোগিতা পরিবেশনাগুলোকে প্রাণবন্ত করে তোলে। এ অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল এ আর টেলিভিশন ও এর কর্ণধার জয়দীপ রায়। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন গোলাম আকবর মুক্তা ও শব্দ সঞ্চালনায় ছিলেন আরাফাত কীর্তি।

উৎসবের তাৎপর্য সম্পর্কে ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “নজরুল ছিলেন মানবতার কবি। তার সাহিত্য ও সংগীত আজও গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক এবং এই অস্থির পৃথিবীতে আমাদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে।”
তিনি ভবিষ্যতেও কিংবদন্তি বাঙালি কবি, সুরকার ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্বের উত্তরাধিকার উদ্যাপনে নানা আয়োজন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

কানায় কানায় পূর্ণ মিলনায়তনে দর্শকদের অনেককেই দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে হয়। তবুও পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে দর্শকরা পিনপতন নীরবতায় প্রতিটি পরিবেশনা ও উপস্থাপনা উপভোগ করেন। ‘নজরুল উৎসব ২০২৬’ সত্যিই ছিল এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা এবং কবি কাজী নজরুল ইসলামের চিরন্তন উত্তরাধিকারের প্রতি এক যথার্থ শ্রদ্ধার্ঘ্য যা দর্শক শ্রোতাদের বহুদিন মনে থাকবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজী নজরুল ইসলামের প্রপৌত্রী নূপুর কাজী। তার হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠ ও আবেগময় পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় সফরের কর্মসূচির মধ্যেও প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বৃহত্তর যশোর জেলা কল্যাণ সমিতির নেতারা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।