
শরিফ উদ্দিন, কাতার

কাতারে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) কেয়াম হোটেলে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম।
সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম হেলাল। পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসান বিল্লাহ।
বক্তব্য দেন সিনিয়র সহসভাপতি মোসলেম উদ্দিন, সহসভপতি নূর মোহামম্মদ নূর, উপদেষ্টা নুরুল আবসার বাবুল, সাইফুর রহমান সবুজ, শরিফুল হক পাপ্পু ও আকবর হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।
আয়োজনে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারা।

কাতারে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ মার্চ) কেয়াম হোটেলে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম।
সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম হেলাল। পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসান বিল্লাহ।
বক্তব্য দেন সিনিয়র সহসভাপতি মোসলেম উদ্দিন, সহসভপতি নূর মোহামম্মদ নূর, উপদেষ্টা নুরুল আবসার বাবুল, সাইফুর রহমান সবুজ, শরিফুল হক পাপ্পু ও আকবর হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।
আয়োজনে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।