
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহ চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান মোহাম্মেদ আলী আল নুয়াইমির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।
ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারের লক্ষ্যে সোমবার (১২ মে) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
মোহাম্মেদ আলী আল নুয়াইমি কনসাল জেনারেলকে স্বাগত জানান এবং আমিরাতের উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসা করেন।
তিনি বাংলাদেশ এবং রাস আল খাইমাহর ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তার চেম্বারের সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাস আল খাইমাহতে ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরে নুয়াইমি আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বাণিজ্য মেলা ও ব্যবসায়িক সম্মেলনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের অনুরোধ জানান।

কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত বিনিয়োগবান্ধব নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি রাস আল খাইমাহর ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিদ্যমান ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের সুযোগ নিয়ে বিনিয়োগের লক্ষ্যে চেয়ারম্যান নুয়াইমির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিশেষত বাংলাদেশের সিরামিক শিল্প, অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাটশিল্প, কৃষিজাত পণ্য এবং হালাল মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি আমিরাতের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান।
রাশেদুজ্জামান চেয়ারম্যান নুয়াইমিকে তাঁর নেতৃত্বে রাস আল খাইমাহ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এ ছাড়াও, তিনি রাস আল খাইমাহতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে আরএকে চেম্বারের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
রাস আল খাইমাহ চেম্বার ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরএকে চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল ড. আহমেদ রাশেদ আলশেমেইতি, সিনিয়র ইকোনোমিষ্ট আসেম বানি ফারেস, বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার এবং প্রথম সচিব (প্রেস) মো. আরিফুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহ চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান মোহাম্মেদ আলী আল নুয়াইমির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।
ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারের লক্ষ্যে সোমবার (১২ মে) তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
মোহাম্মেদ আলী আল নুয়াইমি কনসাল জেনারেলকে স্বাগত জানান এবং আমিরাতের উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসা করেন।
তিনি বাংলাদেশ এবং রাস আল খাইমাহর ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে তার চেম্বারের সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাস আল খাইমাহতে ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরে নুয়াইমি আমিরাতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বাণিজ্য মেলা ও ব্যবসায়িক সম্মেলনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের অনুরোধ জানান।

কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত বিনিয়োগবান্ধব নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি রাস আল খাইমাহর ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিদ্যমান ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের সুযোগ নিয়ে বিনিয়োগের লক্ষ্যে চেয়ারম্যান নুয়াইমির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিশেষত বাংলাদেশের সিরামিক শিল্প, অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পাটশিল্প, কৃষিজাত পণ্য এবং হালাল মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি আমিরাতের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান।
রাশেদুজ্জামান চেয়ারম্যান নুয়াইমিকে তাঁর নেতৃত্বে রাস আল খাইমাহ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এ ছাড়াও, তিনি রাস আল খাইমাহতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে আরএকে চেম্বারের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
রাস আল খাইমাহ চেম্বার ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আরএকে চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল ড. আহমেদ রাশেদ আলশেমেইতি, সিনিয়র ইকোনোমিষ্ট আসেম বানি ফারেস, বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার এবং প্রথম সচিব (প্রেস) মো. আরিফুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে