
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ‘সেতু এইউ’ (Shetu-AU) মোবাইল অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
গত রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনির ক্যাম্বেলটাউনের রিজেস হোটেলে আয়োজিত এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অ্যাপের যাত্রা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান কানেক্ট বাংলাদেশি ডায়াসপোরো পিটিই লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতাদের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই প্ল্যাটফর্ম প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং তাদের একটি সম্মানিত ও সংগঠিত প্রবাসী গোষ্ঠী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিডনির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শেলী সালেহীন ও কালচারাল ডাইভারসিটি নেটওয়ার্ক ইনকর্পোরেটেডের প্রেসিডেন্ট সাবরিন ফারুকী।
উপস্থিত ছিলেন সিডনির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল মো. জাহাঙ্গীর আলম খান রানা, ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহীম খলিল মাসুদ ও অ্যাশ রহমান, ক্যান্টারবুরি ব্যাংকসটাউনের প্রাক্তন কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামান টিটু, অস্ট্রেলিয়া–বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ইসলাম, মাল্টিকালচারাল কমিউনিটির প্রতিনিধি কামাল পাশা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ, আইইউবি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, কুয়েট, বুয়েট, চুয়েট, নটরডেম কলেজ) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, বাংলাদেশি ফেসবুক গ্রুপ অ্যাডমিন এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আবু রেজা আরেফিন, শিকদার আবু তাহের ও নাইম আবদুল্লাহ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই অ্যাপ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ, তথ্য বিনিময় এবং বিভিন্ন সেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম ও নতুন অভিবাসীদের জন্য এটি একটি কার্যকর ডিজিটাল সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানে মোট ৭১ জন অতিথি অংশগ্রহণ করেন। ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের এই যাত্রা অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই অ্যাপটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং তথ্য আদান-প্রদানকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তুলবে, যা সামগ্রিকভাবে একটি শক্তিশালী ও সংযুক্ত কমিউনিটি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ‘সেতু এইউ’ (Shetu-AU) মোবাইল অ্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
গত রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনির ক্যাম্বেলটাউনের রিজেস হোটেলে আয়োজিত এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অ্যাপের যাত্রা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থেকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান কানেক্ট বাংলাদেশি ডায়াসপোরো পিটিই লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতাদের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এফ এম বোরহান উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সেতু এইউ’ অ্যাপটি শুধু অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেই সহায়ক হবে না, বরং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই প্ল্যাটফর্ম প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং তাদের একটি সম্মানিত ও সংগঠিত প্রবাসী গোষ্ঠী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিডনির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল শেলী সালেহীন ও কালচারাল ডাইভারসিটি নেটওয়ার্ক ইনকর্পোরেটেডের প্রেসিডেন্ট সাবরিন ফারুকী।
উপস্থিত ছিলেন সিডনির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল মো. জাহাঙ্গীর আলম খান রানা, ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহীম খলিল মাসুদ ও অ্যাশ রহমান, ক্যান্টারবুরি ব্যাংকসটাউনের প্রাক্তন কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামান টিটু, অস্ট্রেলিয়া–বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর ইসলাম, মাল্টিকালচারাল কমিউনিটির প্রতিনিধি কামাল পাশা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ, আইইউবি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, কুয়েট, বুয়েট, চুয়েট, নটরডেম কলেজ) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, বাংলাদেশি ফেসবুক গ্রুপ অ্যাডমিন এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আবু রেজা আরেফিন, শিকদার আবু তাহের ও নাইম আবদুল্লাহ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই অ্যাপ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যোগাযোগ, তথ্য বিনিময় এবং বিভিন্ন সেবায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম ও নতুন অভিবাসীদের জন্য এটি একটি কার্যকর ডিজিটাল সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানে মোট ৭১ জন অতিথি অংশগ্রহণ করেন। ‘সেতু এইউ’ অ্যাপের এই যাত্রা অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই অ্যাপটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং তথ্য আদান-প্রদানকে আরও সহজ ও কার্যকর করে তুলবে, যা সামগ্রিকভাবে একটি শক্তিশালী ও সংযুক্ত কমিউনিটি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।