
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

সৌদি আরবের বন্দরনগরী জেদ্দায় জাকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির বার্ষিক আয়োজন ‘নোয়াখালী উৎসব ২০২৪’। উৎসব আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য করার জন্য আয়োজনে ছিল বৃহত্তর নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী জেবত (দুপুরের খাবার), হরেক রকমের পিঠা–পুলি, শিশু–কিশোরদের খেলাধুলা, ফ্রি মেডিকেল সেবা, লেজার শো, র্যাফেল ড্রর সঙ্গে আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, জেদ্দার উদ্যোগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) এই উৎসব আয়োজন করা হয়।
উৎসবের উদ্বোধন করেন সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাসুদ আল মাহমুদ। আরও ছিলেন আমীর মোহাম্মদ ফিরোজ, ইউসুফ খান, আবদুর রহমান, আবদুল মান্নান, এ কে এম শাজাহান সিরাজি, ওয়াজিউল্লাহ মিয়া, নূর মোহাম্মদ ভূইয়া, বিলাল হোসেন, কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী, শেখ মামুনুল ইসলাম, আশ্রাফ আলীম, আনোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, ওয়াহিদুজজামান, মোহাম্মদ নূর।
অনুষ্ঠান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেন এবং সাইফুল ইসলাম মঞ্জু ও বাহার উদ্দিন বকুল। সূচনায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন মাওলানা আবদুল্লাহ মিয়াজি।

আলোচকেরা বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের জন্য সৌদি আরবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অত্যন্ত সুপরিচিত।
অতিথিপরায়ণতার দিক থেকে এই অঞ্চলের মানুষের জুড়ি নেই। আগামীতে এই সমিতি ঐক্যবদ্ধভাবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের স্বকীয়তা ধরে রাখবে। বক্তারা বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবি জানান।
সমাপণী বক্তব্যে সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, সমিতি কর্তৃক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে উত্তরোত্তর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্বিকরণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি তার কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে।

পরিশেষে আকর্ষণীয়ভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য সমিতির সকল নেতা–কর্মীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি সৌদি আরবে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদেরকে এই দেশের আইনকানুন মেনে চলার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
উৎসব বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন মসিউর রহমান সাজু, বেলায়েত হোসেন মুন্সি, মঞ্জুর হাসান আলভী, ওয়াসিম কবির সুমন, এম আর নোমান ও দিদার উদ্দিন রাজু।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কমিউনিটির কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, জেদ্দা। নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি অদক্ষ লোকজনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রদানই এ সমিতির মূল লক্ষ্য।

সৌদি আরবের বন্দরনগরী জেদ্দায় জাকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির বার্ষিক আয়োজন ‘নোয়াখালী উৎসব ২০২৪’। উৎসব আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য করার জন্য আয়োজনে ছিল বৃহত্তর নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী জেবত (দুপুরের খাবার), হরেক রকমের পিঠা–পুলি, শিশু–কিশোরদের খেলাধুলা, ফ্রি মেডিকেল সেবা, লেজার শো, র্যাফেল ড্রর সঙ্গে আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, জেদ্দার উদ্যোগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) এই উৎসব আয়োজন করা হয়।
উৎসবের উদ্বোধন করেন সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাসুদ আল মাহমুদ। আরও ছিলেন আমীর মোহাম্মদ ফিরোজ, ইউসুফ খান, আবদুর রহমান, আবদুল মান্নান, এ কে এম শাজাহান সিরাজি, ওয়াজিউল্লাহ মিয়া, নূর মোহাম্মদ ভূইয়া, বিলাল হোসেন, কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী, শেখ মামুনুল ইসলাম, আশ্রাফ আলীম, আনোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, ওয়াহিদুজজামান, মোহাম্মদ নূর।
অনুষ্ঠান যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ জাকির হোসেন এবং সাইফুল ইসলাম মঞ্জু ও বাহার উদ্দিন বকুল। সূচনায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলওয়াত করেন মাওলানা আবদুল্লাহ মিয়াজি।

আলোচকেরা বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের জন্য সৌদি আরবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অত্যন্ত সুপরিচিত।
অতিথিপরায়ণতার দিক থেকে এই অঞ্চলের মানুষের জুড়ি নেই। আগামীতে এই সমিতি ঐক্যবদ্ধভাবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের স্বকীয়তা ধরে রাখবে। বক্তারা বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবি জানান।
সমাপণী বক্তব্যে সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, সমিতি কর্তৃক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে উত্তরোত্তর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্বিকরণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি তার কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে।

পরিশেষে আকর্ষণীয়ভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য সমিতির সকল নেতা–কর্মীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি সৌদি আরবে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদেরকে এই দেশের আইনকানুন মেনে চলার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
উৎসব বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন মসিউর রহমান সাজু, বেলায়েত হোসেন মুন্সি, মঞ্জুর হাসান আলভী, ওয়াসিম কবির সুমন, এম আর নোমান ও দিদার উদ্দিন রাজু।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কমিউনিটির কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি, জেদ্দা। নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি অদক্ষ লোকজনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষকে সহায়তা প্রদানই এ সমিতির মূল লক্ষ্য।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।