
বিডিজেন ডেস্ক

গান, কবিতা, নাচ ও ইতিহাসের ধারাবিবরণী পাঠের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্বাধীনতার সংগ্রামে গণমানুষের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের রাজধানী টরন্টোয় উদ্যাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস।
গত মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনাইটেড হোপ চার্চ মিলনায়তনে ‘একটি মুক্ত মঞ্চ টরন্টো আয়োজন’ ব্যানারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দর্শক শ্রোতা পুরো সময়টা ধরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আবহের মধ্যে ডুবে থাকেন।
আবৃত্তি শিল্পী হিমাদ্রী রয়ের সঞ্চালনায় নাট্য ব্যক্তিত্ব মাহমুদুল ইসলাম সেলিমের স্বাগত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম’ শিরোনামে বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানমালা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকার্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং সেদিন ঢাকায় ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা প্রবাহের ঐতিহাসিক ধারাবিবরণী পাঠ করেন নতুন প্রজন্মের অনিন্দিতা বর্ণমালা ও অরুনিম আহমেদ।
ইংরেজি ভাষায় ড. শামীম আহমেদের লেখা এই ধারা বিবরণীতে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাখ্যান চমৎকারভাবে ধরা পড়েছে। এ সময় শামীম আহমেদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
এরপর শুরু হয় জাগরণের গান। সংগীতশিল্পী নাহিদ কবিরের পরিচালনায় এই পর্বে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রসহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান সমবেতভাবে পরিবেশিত হয়। এতে অংশ নেন যথাক্রমে শিল্পী চিত্রা সরকার, নাহিদ কবির, মৈত্রেয়ী দেবী, ইভা নাগ, শিখা আখতারী আহমাদ, তানিয়া নূর, সোহানা আমিন, রাশিদা এলাহী, গৌরী দাস, নিঘাত মর্তুজা, আশরাফুন নাহার, এনামুল কবির, পার্থ সারথি সিকদার, নবিউল হক, গোলাম মোস্তফা, সাখাওয়াত আহমেদ, সুভাষ দাশ, শরিফুর রহমান জুয়েল, জহুরুল ইসলাম। এসময় শিল্পীদের যন্ত্রাংশে সহায়তা করেন শিল্পী রূপতনু শর্মা ও চিন্ময় কর।

পরে কবিতা আলেখ্যে তুলে ধরা হয় মুক্তিযুদ্ধের কথা। এতে অংশ নেন শিখা আহমাদ, মানবী মৃধা, তাপস কর্মকার, অনুরাগ ও তানিয়া নূর।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন গীতাঞ্জলি মিউজিক একাডেমির সাইদা চৌধুরী লিসা, ডালিয়া আহমেদ, আস্থা জাহান, সুবাহ জামান, সুকন্যা চৌধুরী ও সীমা বড়ুয়া, নৃত্য ঝংকারের আরাশী, উপনীতা, শ্রেয়া, মেধা, প্রার্থনা, নয়মী ও চিত্রা দাস এবং তারানা থেকে পারমিতা তিন্নি ও কিয়ারা, গার্গী লাহিড়ী ও মৌমিতা পাল।
মুক্তিযুদ্ধ ও দেশাত্বনোধক গানের তালে শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কাড়ে। সুশংখল ও পেশাদার ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের নৈপুণ্যে ‘একটি মুক্ত মঞ্চ টরন্টো আয়োজন’–এর বিজয় দিবসের পুরো অনুষ্ঠানটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। বিজ্ঞপ্তি

গান, কবিতা, নাচ ও ইতিহাসের ধারাবিবরণী পাঠের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্বাধীনতার সংগ্রামে গণমানুষের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের রাজধানী টরন্টোয় উদ্যাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস।
গত মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনাইটেড হোপ চার্চ মিলনায়তনে ‘একটি মুক্ত মঞ্চ টরন্টো আয়োজন’ ব্যানারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দর্শক শ্রোতা পুরো সময়টা ধরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আবহের মধ্যে ডুবে থাকেন।
আবৃত্তি শিল্পী হিমাদ্রী রয়ের সঞ্চালনায় নাট্য ব্যক্তিত্ব মাহমুদুল ইসলাম সেলিমের স্বাগত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম’ শিরোনামে বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানমালা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকার্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং সেদিন ঢাকায় ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা প্রবাহের ঐতিহাসিক ধারাবিবরণী পাঠ করেন নতুন প্রজন্মের অনিন্দিতা বর্ণমালা ও অরুনিম আহমেদ।
ইংরেজি ভাষায় ড. শামীম আহমেদের লেখা এই ধারা বিবরণীতে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাখ্যান চমৎকারভাবে ধরা পড়েছে। এ সময় শামীম আহমেদ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
এরপর শুরু হয় জাগরণের গান। সংগীতশিল্পী নাহিদ কবিরের পরিচালনায় এই পর্বে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রসহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান সমবেতভাবে পরিবেশিত হয়। এতে অংশ নেন যথাক্রমে শিল্পী চিত্রা সরকার, নাহিদ কবির, মৈত্রেয়ী দেবী, ইভা নাগ, শিখা আখতারী আহমাদ, তানিয়া নূর, সোহানা আমিন, রাশিদা এলাহী, গৌরী দাস, নিঘাত মর্তুজা, আশরাফুন নাহার, এনামুল কবির, পার্থ সারথি সিকদার, নবিউল হক, গোলাম মোস্তফা, সাখাওয়াত আহমেদ, সুভাষ দাশ, শরিফুর রহমান জুয়েল, জহুরুল ইসলাম। এসময় শিল্পীদের যন্ত্রাংশে সহায়তা করেন শিল্পী রূপতনু শর্মা ও চিন্ময় কর।

পরে কবিতা আলেখ্যে তুলে ধরা হয় মুক্তিযুদ্ধের কথা। এতে অংশ নেন শিখা আহমাদ, মানবী মৃধা, তাপস কর্মকার, অনুরাগ ও তানিয়া নূর।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন গীতাঞ্জলি মিউজিক একাডেমির সাইদা চৌধুরী লিসা, ডালিয়া আহমেদ, আস্থা জাহান, সুবাহ জামান, সুকন্যা চৌধুরী ও সীমা বড়ুয়া, নৃত্য ঝংকারের আরাশী, উপনীতা, শ্রেয়া, মেধা, প্রার্থনা, নয়মী ও চিত্রা দাস এবং তারানা থেকে পারমিতা তিন্নি ও কিয়ারা, গার্গী লাহিড়ী ও মৌমিতা পাল।
মুক্তিযুদ্ধ ও দেশাত্বনোধক গানের তালে শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কাড়ে। সুশংখল ও পেশাদার ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের নৈপুণ্যে ‘একটি মুক্ত মঞ্চ টরন্টো আয়োজন’–এর বিজয় দিবসের পুরো অনুষ্ঠানটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। বিজ্ঞপ্তি
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।