
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস।
১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ। পরে দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারী ও রিয়াদপ্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনও ফুল দিয়ে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ বিনির্মাণ ও দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ।
তিনি বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রেখে বিদেশের মাটিতে দেশের জন্য সম্মান বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাবার জন্য আহবান জানান। পাশাপাশি তিনি প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যন্স পাঠিয়ে দেশ ও দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার অনুরোধ করেন।
আলোচনায় তিনি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও নির্যাতিত দুই লাখ মা-বোনদের এবং জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র–জনতাদের।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ আরও বলেন, একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে হলে নিজেদের মধ্যে একতার কোনো বিকল্প নাই।
তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে একতা ছিল বলেই ১৯৭১ সালে নিরস্ত্র বাঙালি অস্ত্রেশস্ত্রে সুসজ্জিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে দেশ স্বাধীন করেছিল। একইভাবে, ছাত্র জনতার একতা ২০২৪ এ আবার আমাদের স্বাধীনতার স্বাদ আরেকবার আস্বাদন করিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই একতাই আমাদের দেশি-বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। তিনি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য দেশের তরুণদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমানে পরিবর্তিত বিশ্বে সম্মানের সাথে টিকে থাকার জন্য প্রশিক্ষিত জনশক্তি সৌদি আরবের শ্রম বাজারে নিয়ে আসতে হবে। আগামী দিনে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের আহবান জানান।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সৌদি আরবে বসবাসরত নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা ও এর ইতিহাস সম্পর্কে জানার অনুরোধ জানান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তারা তাদের বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের বিজয় অর্জন, জুলাই ‘২৪ এর গণ-আন্দোলনের ওপর আলোকপাত করে।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন দূতাবাসের কার্যালয় প্রধান কাউন্সেলর মো. বেলাল হোসেন।
আলোচনা সভার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে দেশের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস।
১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) স্থানীয় সময় সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ। পরে দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারী ও রিয়াদপ্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনও ফুল দিয়ে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ বিনির্মাণ ও দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ।
তিনি বিজয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রেখে বিদেশের মাটিতে দেশের জন্য সম্মান বৃদ্ধি ও বাংলাদেশকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাবার জন্য আহবান জানান। পাশাপাশি তিনি প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যন্স পাঠিয়ে দেশ ও দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার অনুরোধ করেন।
আলোচনায় তিনি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও নির্যাতিত দুই লাখ মা-বোনদের এবং জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র–জনতাদের।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম রকিব উল্লাহ আরও বলেন, একটি শক্তিশালী জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে হলে নিজেদের মধ্যে একতার কোনো বিকল্প নাই।
তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে একতা ছিল বলেই ১৯৭১ সালে নিরস্ত্র বাঙালি অস্ত্রেশস্ত্রে সুসজ্জিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে দেশ স্বাধীন করেছিল। একইভাবে, ছাত্র জনতার একতা ২০২৪ এ আবার আমাদের স্বাধীনতার স্বাদ আরেকবার আস্বাদন করিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই একতাই আমাদের দেশি-বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। তিনি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য দেশের তরুণদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমানে পরিবর্তিত বিশ্বে সম্মানের সাথে টিকে থাকার জন্য প্রশিক্ষিত জনশক্তি সৌদি আরবের শ্রম বাজারে নিয়ে আসতে হবে। আগামী দিনে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য প্রবাসীদের আহবান জানান।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সৌদি আরবে বসবাসরত নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা ও এর ইতিহাস সম্পর্কে জানার অনুরোধ জানান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তারা তাদের বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের বিজয় অর্জন, জুলাই ‘২৪ এর গণ-আন্দোলনের ওপর আলোকপাত করে।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন দূতাবাসের কার্যালয় প্রধান কাউন্সেলর মো. বেলাল হোসেন।
আলোচনা সভার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে দেশের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।