
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি ৩৫০১) ৪১৪ জন হজযাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে।
সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন বিমানবন্দরের হজ টার্মিনালে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাগত জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মিয়া মো. মাইনুল কবির ও বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের আরও স্বাগত জানান সৌদি সিভিল এভিয়েশনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মাজেন জাওয়াহার, হজ্জ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক সালমান আল বেলাবী ও অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আগত হজযাত্রীদের শুভ কামনা জানান ও যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাস, কনস্যূলেট ও বাংলাদেশ হজ মিশন সবসময় হজযাত্রীদের পাশে রয়েছে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। বাংলাদেশ থেকে আগত হজযাত্রীরা বিমানবন্দরের সুন্দর ব্যবস্থাপনা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১০০ জন পবিত্র হজ পালন করবেন। বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ থেকে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি ৩৫০১) ৪১৪ জন হজযাত্রী নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে।
সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন বিমানবন্দরের হজ টার্মিনালে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাগত জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মিয়া মো. মাইনুল কবির ও বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা।
বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের আরও স্বাগত জানান সৌদি সিভিল এভিয়েশনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মাজেন জাওয়াহার, হজ্জ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক সালমান আল বেলাবী ও অন্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আগত হজযাত্রীদের শুভ কামনা জানান ও যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাস, কনস্যূলেট ও বাংলাদেশ হজ মিশন সবসময় হজযাত্রীদের পাশে রয়েছে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। বাংলাদেশ থেকে আগত হজযাত্রীরা বিমানবন্দরের সুন্দর ব্যবস্থাপনা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১০০ জন পবিত্র হজ পালন করবেন। বিজ্ঞপ্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।