
এমরান হোসাইন, ক্যানসাস, আমেরিকা

মামুনি, আম্মা, মা, আম্মি, মাম্মি, মাতৃ, মাদার—সব আদুরে নাম গায়ে মেখে ক্যানসাসের অগাস্টা শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে একঝাঁক মায়ের ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘বেস্ট মম এভার’। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস রাজ্যের ছায়াঘেরা অগাস্টায় পরিবার নিয়ে গত রোববার (১১ মে) সকাল থেকে মায়েরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে থাকেন। নানা আয়োজনে দিনভর মাতিয়ে তোলেন মায়ের দল।

মায়েরা কিন্তু বাবাদের আনতে ভোলেননি। তাই তো কবি বলেছেন- বিশ্বে যা–কিছু মহান সৃষ্টি চির–কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। দুপুর ১২টায় সবাই মিলে ইয়াবড় মজাদার কেক কেটে মা-দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। মাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে ছোট ছোট শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। আনন্দঘন পরিবেশে এতে সব মায়েদের জন্য আকর্ষণীয় গিফটের আয়োজন করা হয়েছে।

মা কাবেরী দাস একমাত্র ছেলে রিতুলকে জড়িয়ে ধরে ছবি তোলেন। ভালোবাসায় সিক্ত মায়ের হাতে ফুল তুলে দেন রিতুল। ক্যানসাস থেকে রিতুল এবার ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভাসিটিতে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে আনোয়ারের এক কাপ চা সবার প্রশংসা কুড়ায়। অনুষ্ঠান শেষে মুখরোচক খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
প্রবাসে এত ব্যবস্ততার মাঝে এত সুন্দর অনুষ্ঠান অয়োজনে ধন্যবাদ জানান মাহপারা করিম, রুপেন দেব, প্রশান্ত বিশ্বাস, সোমবার্তা, বিদ্যূত দে, নাজমূল কবির দিপন, সুবির বড়ুয়া, শুভেচ্ছা চক্রবর্তী প্রমুখ।

মামুনি, আম্মা, মা, আম্মি, মাম্মি, মাতৃ, মাদার—সব আদুরে নাম গায়ে মেখে ক্যানসাসের অগাস্টা শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে একঝাঁক মায়ের ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘বেস্ট মম এভার’। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস রাজ্যের ছায়াঘেরা অগাস্টায় পরিবার নিয়ে গত রোববার (১১ মে) সকাল থেকে মায়েরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে থাকেন। নানা আয়োজনে দিনভর মাতিয়ে তোলেন মায়ের দল।

মায়েরা কিন্তু বাবাদের আনতে ভোলেননি। তাই তো কবি বলেছেন- বিশ্বে যা–কিছু মহান সৃষ্টি চির–কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। দুপুর ১২টায় সবাই মিলে ইয়াবড় মজাদার কেক কেটে মা-দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। মাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে ছোট ছোট শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। আনন্দঘন পরিবেশে এতে সব মায়েদের জন্য আকর্ষণীয় গিফটের আয়োজন করা হয়েছে।

মা কাবেরী দাস একমাত্র ছেলে রিতুলকে জড়িয়ে ধরে ছবি তোলেন। ভালোবাসায় সিক্ত মায়ের হাতে ফুল তুলে দেন রিতুল। ক্যানসাস থেকে রিতুল এবার ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভাসিটিতে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে আনোয়ারের এক কাপ চা সবার প্রশংসা কুড়ায়। অনুষ্ঠান শেষে মুখরোচক খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
প্রবাসে এত ব্যবস্ততার মাঝে এত সুন্দর অনুষ্ঠান অয়োজনে ধন্যবাদ জানান মাহপারা করিম, রুপেন দেব, প্রশান্ত বিশ্বাস, সোমবার্তা, বিদ্যূত দে, নাজমূল কবির দিপন, সুবির বড়ুয়া, শুভেচ্ছা চক্রবর্তী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।