
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলমানরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ নামাজের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব।

রোববার (৩০ মার্চ) জেনেভার গ্র্যান্ডসাকোনে মসজিদে ঈদের ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত জয়। এসব জামাতে প্রবাসী বাঙালি ছাড়াও সোমালিয়া, তুরস্ক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মরক্কো, বসনিয়া ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা অংশগ্রহণ করেন। জামাত শেষে তারা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

জেনেভায় মুসলিম প্রধান দেশের মিশন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থায় কর্মরত মুসলমানদের মধ্যে ছিল ঈদের আমেজ।

প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলিমরা নামাজ শেষে নিজ বাসভবনে ঈদ আপ্যায়নের ব্যাস্ত হয়ে পড়েন। সারা দিন চলে একে অপরের বাড়িতে ঈদ উদযাপনের নানা আয়োজন।

জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল তাঁর বাসভবন বাংলাদেশ হাউসে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভেদাভেদ ভুলে জেনেভাপ্রবাসী সকল বাঙালি মুসলিমদের কাছে ঈদের দিনটি অনুকরণীয় আর স্মরণীয় হয়ে থাকবে।ঈদের আয়োজন এই বিদেশবিভুঁইয়ে সত্যিই আলাদা মাত্রা বহন করে।

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের মাঝে নিয়ে আসে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ত্যাগের মহিমা। এই মহিমা প্রতিফলিত হোক আমাদের সবার বাস্তব জীবনে।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলমানরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ নামাজের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব।

রোববার (৩০ মার্চ) জেনেভার গ্র্যান্ডসাকোনে মসজিদে ঈদের ৩টি জামাত অনুষ্ঠিত জয়। এসব জামাতে প্রবাসী বাঙালি ছাড়াও সোমালিয়া, তুরস্ক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, মরক্কো, বসনিয়া ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা অংশগ্রহণ করেন। জামাত শেষে তারা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশলাদি বিনিময় করেন।

জেনেভায় মুসলিম প্রধান দেশের মিশন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থায় কর্মরত মুসলমানদের মধ্যে ছিল ঈদের আমেজ।

প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলিমরা নামাজ শেষে নিজ বাসভবনে ঈদ আপ্যায়নের ব্যাস্ত হয়ে পড়েন। সারা দিন চলে একে অপরের বাড়িতে ঈদ উদযাপনের নানা আয়োজন।

জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল তাঁর বাসভবন বাংলাদেশ হাউসে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভেদাভেদ ভুলে জেনেভাপ্রবাসী সকল বাঙালি মুসলিমদের কাছে ঈদের দিনটি অনুকরণীয় আর স্মরণীয় হয়ে থাকবে।ঈদের আয়োজন এই বিদেশবিভুঁইয়ে সত্যিই আলাদা মাত্রা বহন করে।

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের মাঝে নিয়ে আসে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ত্যাগের মহিমা। এই মহিমা প্রতিফলিত হোক আমাদের সবার বাস্তব জীবনে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।