
বিডিজেন ডেস্ক

মরিশাসের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জকি আহাদ।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে হাইকমিশনার তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী হাইকমিশনারকে তাঁর অফিসে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থ সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরে।
হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম ও প্রথম সচিব (শ্রম) মো. আসাদুজ্জামানসহ মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে তারা উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ে সফর, মারিশাসে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগ ও রেমিট্যান্স প্রেরণসহ নানাবিধ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বিষয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী নিয়োগসহ আরও বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স প্রেরণের সুযোগ তৈরির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মরিশাসের শ্রম ও শিল্পসম্পর্কিত মন্ত্রী দেশটির বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি প্রক্রিয়াধীন সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তকরণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আশ্বাস প্রদান করেন। শ্রমমন্ত্রী এ পর্যায়ে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ বোয়েসেল ও বিএমইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শ্রমমন্ত্রী ও হাইকমিশনার অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে মরিশাস প্রজাতন্ত্রের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিমকে উষ্ণ আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে এ সফর অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তি

মরিশাসের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জকি আহাদ।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে হাইকমিশনার তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী হাইকমিশনারকে তাঁর অফিসে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থ সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরে।
হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম ও প্রথম সচিব (শ্রম) মো. আসাদুজ্জামানসহ মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে তারা উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ে সফর, মারিশাসে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগ ও রেমিট্যান্স প্রেরণসহ নানাবিধ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বিষয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী নিয়োগসহ আরও বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স প্রেরণের সুযোগ তৈরির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মরিশাসের শ্রম ও শিল্পসম্পর্কিত মন্ত্রী দেশটির বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি প্রক্রিয়াধীন সমঝোতা স্মারক চূড়ান্তকরণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আশ্বাস প্রদান করেন। শ্রমমন্ত্রী এ পর্যায়ে বাংলাদেশ সফরের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ বোয়েসেল ও বিএমইটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শ্রমমন্ত্রী ও হাইকমিশনার অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে মরিশাস প্রজাতন্ত্রের শ্রম ও শিল্প সম্পর্কিত মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা কাসাম উত্তিমকে উষ্ণ আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে এ সফর অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তি
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে