
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপ ২০২৪। বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন যৌথভাবে এর আয়োজন করে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বাহরাইনের খ্যাতনামা আলবা ক্লাব মাঠে এই থেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বিপুলসংথ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীর পাশাপাশি বাহরাইনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনেক বিদেশি দর্শক বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই
উপভোগ করার জন্য উৎসাহ নিয়ে মাঠে উপস্থিত হন।
বাহরাইনের মাটিতে এটা ছিল ভিন্নধর্মী এক আয়োজন, যা ইতিপূর্বে আর কখনো বাহরাইনে দেখা যায়নি।

ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ম্যাচটির আয়োজন করা হয় বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী এবং দেশটির রাজা হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সিংহাসনে আরোহণের রজতজয়ন্তীকে বিশেষভাবে স্বরণীয় করে রাখা লক্ষ্যে।
এ ছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস আবার একই দিনটি হলো বাহরাইনের জাতীয় দিবস। তাই দুই দেশের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে একটু ভিন্নভাবে উৎযাপনের জন্য এই প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা হয়।

ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্যাসিফিকবিষয়ক প্রধান রাষ্ট্রদূত মিসেস মুনিরা নোফাল আল দোসেরি, দেশটির প্রতিনিধি পরিষদের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুসেন জানহি, ক্রিকেট ফেডারেশনের উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনসুর ও প্রেসিডেন্ট সামি আলি এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক মিশনের উপ-প্রধান, কূটনৈতিক কোরের অন্য কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বাহরাইন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

অনুষ্ঠানে বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন কায়েস তাঁর স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সকল প্রবাসীসহ বিদেশি সকল অতিথিদের 'বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপ ২০২৪' ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য স্বাগত জানান। বিশেষভাবে ম্যাচে অংশগ্রহণকারী দুই দলকে তিনি অভিনন্দন জানান।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকের ম্যাচটি ছিল ক্রীড়াঙ্গন ও দুই দেশের মাঝে বন্ধুত্ব প্রকাশের একটি অন্যতম আয়োজন এবং এটি দুই দেশের কূটনীতি ও বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনসুরও দুই দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ম্যাচটি বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম।

বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের সভাপতি সামি আলি বলেন, এই খেলায় উভয় দলের প্রতিযোগিতামূলক অংশগ্রহণ এবং খেলোয়াড়দের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ আচারণ ছিল বিষেশভাবে লক্ষ্যণীয়। এ ছাড়া, এই প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে অনুধাবন করা যায় যে, কীভাবে ক্রিকেটের সীমানা পেরিয়ে মানুষকে বন্ধুত্বের সূত্রে একত্রিত করা যায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্যাসিফিকবিষয়ক প্রধান রাষ্ট্রদূত মিসেস মুনিরা নোফাল আল দোসেরি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে দীর্ঘ ও স্থায়ী বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার নিমিত্তে এমন একটি চমৎকার আয়োজনের জন্য দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মাঝে অব্যাহত সহযোগিতার বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

বাহরাইনের প্রতিনিধি পরিষদের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুসেন জানহি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের জুন থেকে চলমান ধারাবাহিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বন্ধুত্বের জন্য একটি অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উন্নয়ন ম্যানেজার ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করেন।

বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ম্যাচটিতে ছিল উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতা। যেখানে উভয় দলই তাদের ব্যতিক্রমী দক্ষতা ও নৈপুণ্যতা প্রদর্শন করে। দুই দলের মাঝে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে বাহরাইন দল চ্যাম্পিয়ন কাপ লাভ করে।

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন উভয় দলকে অভিনন্দন জানায় এবং খেলোয়াড়, কোচ, আম্পায়ার, কর্মকর্তা, দর্শক ও স্পনসরসহ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপের সাফল্যে অবদান রাখার জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে বন্ধন আরও মজবুত করতে ভবিষ্যতে এরকম আরও অনেক নানামুখী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

বাহরাইনে প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপ ২০২৪। বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন যৌথভাবে এর আয়োজন করে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বাহরাইনের খ্যাতনামা আলবা ক্লাব মাঠে এই থেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বিপুলসংথ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীর পাশাপাশি বাহরাইনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনেক বিদেশি দর্শক বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই
উপভোগ করার জন্য উৎসাহ নিয়ে মাঠে উপস্থিত হন।
বাহরাইনের মাটিতে এটা ছিল ভিন্নধর্মী এক আয়োজন, যা ইতিপূর্বে আর কখনো বাহরাইনে দেখা যায়নি।

ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ম্যাচটির আয়োজন করা হয় বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী এবং দেশটির রাজা হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সিংহাসনে আরোহণের রজতজয়ন্তীকে বিশেষভাবে স্বরণীয় করে রাখা লক্ষ্যে।
এ ছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস আবার একই দিনটি হলো বাহরাইনের জাতীয় দিবস। তাই দুই দেশের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে একটু ভিন্নভাবে উৎযাপনের জন্য এই প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করা হয়।

ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্যাসিফিকবিষয়ক প্রধান রাষ্ট্রদূত মিসেস মুনিরা নোফাল আল দোসেরি, দেশটির প্রতিনিধি পরিষদের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুসেন জানহি, ক্রিকেট ফেডারেশনের উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনসুর ও প্রেসিডেন্ট সামি আলি এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক মিশনের উপ-প্রধান, কূটনৈতিক কোরের অন্য কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বাহরাইন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

অনুষ্ঠানে বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন কায়েস তাঁর স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সকল প্রবাসীসহ বিদেশি সকল অতিথিদের 'বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপ ২০২৪' ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য স্বাগত জানান। বিশেষভাবে ম্যাচে অংশগ্রহণকারী দুই দলকে তিনি অভিনন্দন জানান।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকের ম্যাচটি ছিল ক্রীড়াঙ্গন ও দুই দেশের মাঝে বন্ধুত্ব প্রকাশের একটি অন্যতম আয়োজন এবং এটি দুই দেশের কূটনীতি ও বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনসুরও দুই দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ম্যাচটি বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম।

বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের সভাপতি সামি আলি বলেন, এই খেলায় উভয় দলের প্রতিযোগিতামূলক অংশগ্রহণ এবং খেলোয়াড়দের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ আচারণ ছিল বিষেশভাবে লক্ষ্যণীয়। এ ছাড়া, এই প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে অনুধাবন করা যায় যে, কীভাবে ক্রিকেটের সীমানা পেরিয়ে মানুষকে বন্ধুত্বের সূত্রে একত্রিত করা যায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্যাসিফিকবিষয়ক প্রধান রাষ্ট্রদূত মিসেস মুনিরা নোফাল আল দোসেরি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে দীর্ঘ ও স্থায়ী বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার নিমিত্তে এমন একটি চমৎকার আয়োজনের জন্য দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী বছরগুলোতে দুই দেশের মাঝে অব্যাহত সহযোগিতার বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

বাহরাইনের প্রতিনিধি পরিষদের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুসেন জানহি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের জুন থেকে চলমান ধারাবাহিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচটি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বন্ধুত্বের জন্য একটি অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উন্নয়ন ম্যানেজার ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ করেন।

বাংলাদেশ-বাহরাইন ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট ম্যাচটিতে ছিল উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতা। যেখানে উভয় দলই তাদের ব্যতিক্রমী দক্ষতা ও নৈপুণ্যতা প্রদর্শন করে। দুই দলের মাঝে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে বাহরাইন দল চ্যাম্পিয়ন কাপ লাভ করে।

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন উভয় দলকে অভিনন্দন জানায় এবং খেলোয়াড়, কোচ, আম্পায়ার, কর্মকর্তা, দর্শক ও স্পনসরসহ ফ্রেন্ডশিপ ক্রিকেট কাপের সাফল্যে অবদান রাখার জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বাংলাদেশ ও বাহরাইনের মধ্যে বন্ধন আরও মজবুত করতে ভবিষ্যতে এরকম আরও অনেক নানামুখী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।