
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধ নমিতকরণের মাধ্যমে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।


পতাকা উত্তোলনের পর প্রথমে একুশের শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কনসাল জেনারেল ও কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। এরপর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বাংলাদেশ বিমানের জেদ্দা প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম; মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জেদ্দা শাখা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেদ্দা শাখার নেতৃবৃন্দ।


দিবসটি পালনের জন্য জেদ্দা ও মক্কার বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও সাধারণ প্রবাসীরা সকাল সাড়ে ৭টায় জেদ্দা কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। ভাষা শহিদদের সম্মানে সবাই ছিলেন নগ্ন পায়ে।
৬


এর পরে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন তার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধিকার আন্দোলনে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় সঙ্গে স্মরণ এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, একুশ বাঙালির জাতিসত্তার জাগরণের প্রথম প্রণোদনা। পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। ইউনেসকো ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের

দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভাষা আন্দোলন ছিল পরিপূর্ণ অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তচিন্তার অবারিত দ্বার। বাংলা ভাষা, বাঙালি জাতির ইতিহাস যতদিন এই পৃথিবীতে সমুন্নত থাকবে ততদিন বাঙালি জাতি এই মহান ভাষা সৈনিকদের নম্রচিত্তে স্মরণ করবে। তিনি প্রবাসীদের সৌদি সরকারের আইন-কানুন মেনে চলার, দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করে এমন ধরনের অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার এবং বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান।

সৌদি আরবের জেদ্দায় যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধ নমিতকরণের মাধ্যমে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।


পতাকা উত্তোলনের পর প্রথমে একুশের শহিদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কনসাল জেনারেল ও কনস্যুলেটের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। এরপর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বাংলাদেশ বিমানের জেদ্দা প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম; মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জেদ্দা শাখা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেদ্দা শাখার নেতৃবৃন্দ।


দিবসটি পালনের জন্য জেদ্দা ও মক্কার বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও সাধারণ প্রবাসীরা সকাল সাড়ে ৭টায় জেদ্দা কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। ভাষা শহিদদের সম্মানে সবাই ছিলেন নগ্ন পায়ে।
৬


এর পরে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন তার বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সকল স্বাধিকার আন্দোলনে নিহত শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় সঙ্গে স্মরণ এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, একুশ বাঙালির জাতিসত্তার জাগরণের প্রথম প্রণোদনা। পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে। ইউনেসকো ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের

দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভাষা আন্দোলন ছিল পরিপূর্ণ অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তচিন্তার অবারিত দ্বার। বাংলা ভাষা, বাঙালি জাতির ইতিহাস যতদিন এই পৃথিবীতে সমুন্নত থাকবে ততদিন বাঙালি জাতি এই মহান ভাষা সৈনিকদের নম্রচিত্তে স্মরণ করবে। তিনি প্রবাসীদের সৌদি সরকারের আইন-কানুন মেনে চলার, দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করে এমন ধরনের অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকার এবং বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।