
বিডিজেন ডেস্ক

গ্রিস থেকে বাংলাদেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে ‘রেমিট্যান্স উৎসব’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস।
এই কর্মসূচির স্লোগান ‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ, বৈধপথে প্রবাসী আয়, গড়ব বাংলাদেশ’। এ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে গ্রিসের বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এসব প্রতিষ্ঠান গিয়ে উৎসাহ দিচ্ছেন রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এথেন্সের পাথিশিয়ন এলাকার তাজমহল ট্রাভেল অ্যান্ড মানি ট্রান্সফার এজেন্সি পরিদর্শন করেছেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর বিশ্বজিৎ কুমার পাল ও দ্বিতীয় সচিব রাবেয়া বেগম।
তাদের স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির মালিক এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জাহিদ ইসলাম।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবাসীদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। প্রবাসীদের সাপোর্টেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’
রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে বৈধভাবে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের নিয়ে লটারির আয়োজন করে তাজমহল মানি ট্রান্সফার এজেন্সি। লটারিতে বিজয়ী আট প্রবাসীকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

গ্রিস থেকে বাংলাদেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে ‘রেমিট্যান্স উৎসব’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস।
এই কর্মসূচির স্লোগান ‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ, বৈধপথে প্রবাসী আয়, গড়ব বাংলাদেশ’। এ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে গ্রিসের বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এসব প্রতিষ্ঠান গিয়ে উৎসাহ দিচ্ছেন রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা।
এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এথেন্সের পাথিশিয়ন এলাকার তাজমহল ট্রাভেল অ্যান্ড মানি ট্রান্সফার এজেন্সি পরিদর্শন করেছেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর বিশ্বজিৎ কুমার পাল ও দ্বিতীয় সচিব রাবেয়া বেগম।
তাদের স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির মালিক এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জাহিদ ইসলাম।
পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবাসীদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। প্রবাসীদের সাপোর্টেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’
রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে বৈধভাবে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের নিয়ে লটারির আয়োজন করে তাজমহল মানি ট্রান্সফার এজেন্সি। লটারিতে বিজয়ী আট প্রবাসীকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।