
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উৎযাপন হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনের কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।
দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন।
পরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাকিবুল করিম চৌধুরী, মিনিষ্টার (শ্রম) আবুল হোসেন, তৃতীয় সচিব আবদুল লতিফ ফকির।
এরপর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসীরা।

সব শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর মো. ইকবাল আখতার, সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি লুতফর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কান্ট্রি ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ দূতাবাসের সকল সদস্য এবং উল্লেখযোগ্য প্রবাসীরা।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উৎযাপন হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনের কার্যক্রম শুরু হয় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।
দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন।
পরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।
বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাকিবুল করিম চৌধুরী, মিনিষ্টার (শ্রম) আবুল হোসেন, তৃতীয় সচিব আবদুল লতিফ ফকির।
এরপর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসীরা।

সব শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাউন্সেলর মো. ইকবাল আখতার, সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি লুতফর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কান্ট্রি ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ দূতাবাসের সকল সদস্য এবং উল্লেখযোগ্য প্রবাসীরা।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।