
বিডিজেন ডেস্ক

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী এবং জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪’ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং দেশ, জাতি ও প্রবাসীদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ এবং দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা অধিকতর বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবনা পেশ করেন।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক তাঁর বক্তব্যের শুরুতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার; বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার’-এর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের ত্যাগ ও অনন্য অবদানের কথা উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন।
আমানুল হক বলেন, প্রবাসী কর্মীদের রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস। দেশ গড়ার কারিগর প্রবাসীরা বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস, আঙ্কারা তুরস্কে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে তুরস্কের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর স্বাধীনতা দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তুরস্কের শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী অংশগ্রহণ করেন এবং তার সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি কর্মসংস্থানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। তিনি প্রবাসীদের অধিকার, সুরক্ষা, কল্যাণ ও দ্রুততর সেবা নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও সুসমন্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বিজয়ের মাসে জাতীয় বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস এবং জাতীয় প্রবাসী দিবসের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের আগামী ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৬টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। এরপর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী এবং জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৪’ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
১৮ ডিসেম্বর (বুধবার) এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং দেশ, জাতি ও প্রবাসীদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ এবং দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা অধিকতর বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবনা পেশ করেন।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক তাঁর বক্তব্যের শুরুতে এবারের প্রতিপাদ্য ‘প্রবাসীর অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার; বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, আমাদের সবার’-এর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের ত্যাগ ও অনন্য অবদানের কথা উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন।
আমানুল হক বলেন, প্রবাসী কর্মীদের রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস। দেশ গড়ার কারিগর প্রবাসীরা বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস, আঙ্কারা তুরস্কে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির লক্ষ্যে তুরস্কের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর স্বাধীনতা দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তুরস্কের শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী অংশগ্রহণ করেন এবং তার সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি কর্মসংস্থানের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। তিনি প্রবাসীদের অধিকার, সুরক্ষা, কল্যাণ ও দ্রুততর সেবা নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও সুসমন্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বিজয়ের মাসে জাতীয় বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস এবং জাতীয় প্রবাসী দিবসের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের আগামী ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৬টায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। এরপর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।