
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

বাংলাদেশি মালিকানাধীন সুগন্ধি (পারফিউম) কোম্পানি আল-হারামাইনের চেয়ারম্যান আলহাজ মাহাতাবুর রহমান নাসির অভিযোগ করেছেন প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোম্পানিটির নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-হারামাইন গ্রুপের অন্য কর্মকর্তারা। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় আল হারামাইন গ্রুপের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী এই ব্যবসায়ী দাবি করেন, এশিয়া থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সুগন্ধি বাজারজাতকরণে ১৯৭০ সাল থেকে ব্যবসা করে আসছে আল-হারামাইন গ্রুপ। সম্প্রতি এই কোম্পানির বিরুদ্ধে হুণ্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করে একটি গণমাধ্যম। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আল হারামাইন গ্রুপ।
প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ষড়যন্ত্র ও হয়রানিমূলক বলে আখ্যায়িত করে মাহাতাবুর রহমান নাসির বলেন, দল-মত নির্বিশেষে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমি একজন প্রবাসী, দেশে আমি যা কিছু বিনিয়োগ করেছি সব প্রবাস থেকে উপার্জন করে। আমার পারফিউম কোম্পানি আল হারামাইনের বিশ্বব্যাপী পরিচিতি রয়েছে। এই কোম্পানির অনেকগুলো বিক্রয় কেন্দ্র পৃথিবীব্যাপী বিস্তৃত।
বিদেশের উপার্জন দিয়ে আমি দেশে হাসপাতাল, চা বাগান, কলেজ ও ব্যাংকিংসহ একাধিক খাতে বিনিয়োগ করেছি। বাংলাদেশের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছি বলে আমার পরিবার থেকে ৭ জন সিআইপি হয়েছেন। এটি শুধু একবার নয়, বারবার হয়েছে। আমরা বিনিয়োগ করেছি বলে বাংলাদেশের অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছে। কিন্তু আজ আমাকে একটি দলের তিলক লাগিয়ে আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার পায়তারা করা হচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

মাহতাবুর রহমান নাসির আরও বলেন, আমি কোনো দলের পক্ষে নই। আমি সব সময় সরকারকে সহযোগিতা করেছি। জাতীয় পার্টির শাসনামলে এরশাদ সরকারকে, বিএনপির শাসনামলে খালেদা জিয়ার সরকারকে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শেখ হাসিনার সরকারকে আমি আমার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। তাই বলে আমি কোনো দলের পক্ষে কাজ করিনি। কোনো দলের পদ-পদবীতে আমার নাম নেই।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তা হতে পারে। এতে আমার দ্বিমত নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা প্রমাণ করারও দাবি জানাচ্ছি। তবে সঠিক তদন্ত এবং ন্যায় বিচার যেন আমার সাথে করা হয় সেটাই প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, আমি সবার উপকার করেছি, কারও অপকার করিনি। আর দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করিনি। তাই আমার বিরুদ্ধে যেন সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ হয় সরকারের কাছে এটাই কামনা করি।
সংবাদ সম্মেলনে আল-হারামাইন গ্রুপের জনসংযোগ ব্যবস্থাপক মো. মুসা তারেক চৌধুরী বলেন, আল-হারামমাইন গ্রুপ তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সব সময় সচেষ্ট ছিল এবং থাকবে৷ এই কোম্পানির মাধ্যমে দেশে বিদেশে ৫০ হাজার কর্মীর পরিবার চলছে।
অর্থ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোস্তফা প্রতিষ্ঠানটির ক্রেতা–বিক্রেতা ও শুভানুধ্যায়ীদের কোনো মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান৷

বাংলাদেশি মালিকানাধীন সুগন্ধি (পারফিউম) কোম্পানি আল-হারামাইনের চেয়ারম্যান আলহাজ মাহাতাবুর রহমান নাসির অভিযোগ করেছেন প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোম্পানিটির নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-হারামাইন গ্রুপের অন্য কর্মকর্তারা। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় আল হারামাইন গ্রুপের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী এই ব্যবসায়ী দাবি করেন, এশিয়া থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে সুগন্ধি বাজারজাতকরণে ১৯৭০ সাল থেকে ব্যবসা করে আসছে আল-হারামাইন গ্রুপ। সম্প্রতি এই কোম্পানির বিরুদ্ধে হুণ্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করে একটি গণমাধ্যম। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আল হারামাইন গ্রুপ।
প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ষড়যন্ত্র ও হয়রানিমূলক বলে আখ্যায়িত করে মাহাতাবুর রহমান নাসির বলেন, দল-মত নির্বিশেষে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমি একজন প্রবাসী, দেশে আমি যা কিছু বিনিয়োগ করেছি সব প্রবাস থেকে উপার্জন করে। আমার পারফিউম কোম্পানি আল হারামাইনের বিশ্বব্যাপী পরিচিতি রয়েছে। এই কোম্পানির অনেকগুলো বিক্রয় কেন্দ্র পৃথিবীব্যাপী বিস্তৃত।
বিদেশের উপার্জন দিয়ে আমি দেশে হাসপাতাল, চা বাগান, কলেজ ও ব্যাংকিংসহ একাধিক খাতে বিনিয়োগ করেছি। বাংলাদেশের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছি বলে আমার পরিবার থেকে ৭ জন সিআইপি হয়েছেন। এটি শুধু একবার নয়, বারবার হয়েছে। আমরা বিনিয়োগ করেছি বলে বাংলাদেশের অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছে। কিন্তু আজ আমাকে একটি দলের তিলক লাগিয়ে আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার পায়তারা করা হচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

মাহতাবুর রহমান নাসির আরও বলেন, আমি কোনো দলের পক্ষে নই। আমি সব সময় সরকারকে সহযোগিতা করেছি। জাতীয় পার্টির শাসনামলে এরশাদ সরকারকে, বিএনপির শাসনামলে খালেদা জিয়ার সরকারকে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শেখ হাসিনার সরকারকে আমি আমার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। তাই বলে আমি কোনো দলের পক্ষে কাজ করিনি। কোনো দলের পদ-পদবীতে আমার নাম নেই।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তা হতে পারে। এতে আমার দ্বিমত নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা প্রমাণ করারও দাবি জানাচ্ছি। তবে সঠিক তদন্ত এবং ন্যায় বিচার যেন আমার সাথে করা হয় সেটাই প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, আমি সবার উপকার করেছি, কারও অপকার করিনি। আর দেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করিনি। তাই আমার বিরুদ্ধে যেন সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ হয় সরকারের কাছে এটাই কামনা করি।
সংবাদ সম্মেলনে আল-হারামাইন গ্রুপের জনসংযোগ ব্যবস্থাপক মো. মুসা তারেক চৌধুরী বলেন, আল-হারামমাইন গ্রুপ তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সব সময় সচেষ্ট ছিল এবং থাকবে৷ এই কোম্পানির মাধ্যমে দেশে বিদেশে ৫০ হাজার কর্মীর পরিবার চলছে।
অর্থ ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোস্তফা প্রতিষ্ঠানটির ক্রেতা–বিক্রেতা ও শুভানুধ্যায়ীদের কোনো মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহ্বান জানান৷
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।