
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দাসহ দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে কর্মরত আছেন ১০ লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। এই অঞ্চলে কর্মরত প্রবাসীদের সেবা প্রদান করে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট। প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যোগাযোগ করতে পারেন সে জন্য ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এখানে চালু হয় হটলাইন সেবা।
কনস্যুলেট সূত্র জানিয়েছে, এই সেবা চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত হটলাইনে ফোন এসেছে দুই লাখেরও বেশি। কল করা বেশির ভাগ প্রবাসীদের তাৎক্ষণিক তথ্য প্রদান করা হয়েছে। বাকিদেরও কনস্যুলেটের নির্দিষ্ট শাখায় সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হয়েছে। যারা হটলাইনে কল দিয়ে সেবা নিয়েছেন তাদের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া, প্রবাসীরা যে স্থান থেকে কল করেন সে স্থানের নামও রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মধ্যে সম্পাদিত এক চুক্তির অধীনে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থার অতিরিক্ত হিসেবে পরীক্ষামূলক এ ‘হটলাইন সেবা’ চালু করে কনসুলেট।
বর্তমানে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে টোল ফ্রি হটলাইন পরিচালিত হচ্ছে। শ্রম কল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে প্রবাসীরা স্পেশাল এক্সিট ও গৃহকর্মীরা জেদ্দা ও জেদ্দার বাইরের অঞ্চল থেকে হটলাইনে কল দিয়ে সেবা নিয়ে থাকেন।
কয়েকজন প্রবাসী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বিনা ফিতে হটলাইনে সেবা পেয়ে তারা আনন্দিত।
তায়েফে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি আবুল হোসেন বলেন, ‘আমি হটলাইনে কল করে আমার পাসপোর্ট বিষয়ে তথ্য পেয়েছি। আমরা চাই এ সেবা চালু থাকুক।
বিশায় কর্মরত প্রবাসী দুলাল বলেন, আমি কয়েকবার চেষ্টা করে সংযোগ পেয়েছি। কথা বলতে পেরেছি হটলাইনে। ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা দিয়েছি। তবে পাসপোর্ট এসেছে কি না জানার জন্য আবার কল দিলে জানানো হয়, তাদের কাছে সার্ভার নেই। আমাকে অনলাইনে চেক করে নিতে বলা হয়। আমরা অল্পশিক্ষিত, অনলাইনে কীভাবে চেক করতে হয় বুঝি না। হটলাইনের অপারেটর যদি চেক করে জানাতেন, তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।
এ বিষয়ে ওই প্রবাসী জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মক্কায় কর্মরত প্রবাসী দিলরুবা (গৃহকর্মী) তার সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হটলাইনে ফোন করেছিলেন। এ জন্য তার ফোন থেকে কোনো অর্থ কাটা হয়নি জেনে তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
কনসুলেট সূত্র জানায়, সাপ্তাহিক ও অন্য ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রবাসীরা বিনা ফিতে (টোলফ্রি) হটলাইনে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক সেবা নিতে পারবেন। কনস্যুলেটের হটলাইন নম্বর- ৮০০২৪৪০০৫১।

সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দাসহ দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে কর্মরত আছেন ১০ লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। এই অঞ্চলে কর্মরত প্রবাসীদের সেবা প্রদান করে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট। প্রবাসীরা যাতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যোগাযোগ করতে পারেন সে জন্য ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এখানে চালু হয় হটলাইন সেবা।
কনস্যুলেট সূত্র জানিয়েছে, এই সেবা চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত হটলাইনে ফোন এসেছে দুই লাখেরও বেশি। কল করা বেশির ভাগ প্রবাসীদের তাৎক্ষণিক তথ্য প্রদান করা হয়েছে। বাকিদেরও কনস্যুলেটের নির্দিষ্ট শাখায় সংযোগ প্রদানের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হয়েছে। যারা হটলাইনে কল দিয়ে সেবা নিয়েছেন তাদের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া, প্রবাসীরা যে স্থান থেকে কল করেন সে স্থানের নামও রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মধ্যে সম্পাদিত এক চুক্তির অধীনে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থার অতিরিক্ত হিসেবে পরীক্ষামূলক এ ‘হটলাইন সেবা’ চালু করে কনসুলেট।
বর্তমানে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে টোল ফ্রি হটলাইন পরিচালিত হচ্ছে। শ্রম কল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে প্রবাসীরা স্পেশাল এক্সিট ও গৃহকর্মীরা জেদ্দা ও জেদ্দার বাইরের অঞ্চল থেকে হটলাইনে কল দিয়ে সেবা নিয়ে থাকেন।
কয়েকজন প্রবাসী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বিনা ফিতে হটলাইনে সেবা পেয়ে তারা আনন্দিত।
তায়েফে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি আবুল হোসেন বলেন, ‘আমি হটলাইনে কল করে আমার পাসপোর্ট বিষয়ে তথ্য পেয়েছি। আমরা চাই এ সেবা চালু থাকুক।
বিশায় কর্মরত প্রবাসী দুলাল বলেন, আমি কয়েকবার চেষ্টা করে সংযোগ পেয়েছি। কথা বলতে পেরেছি হটলাইনে। ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা দিয়েছি। তবে পাসপোর্ট এসেছে কি না জানার জন্য আবার কল দিলে জানানো হয়, তাদের কাছে সার্ভার নেই। আমাকে অনলাইনে চেক করে নিতে বলা হয়। আমরা অল্পশিক্ষিত, অনলাইনে কীভাবে চেক করতে হয় বুঝি না। হটলাইনের অপারেটর যদি চেক করে জানাতেন, তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।
এ বিষয়ে ওই প্রবাসী জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মক্কায় কর্মরত প্রবাসী দিলরুবা (গৃহকর্মী) তার সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হটলাইনে ফোন করেছিলেন। এ জন্য তার ফোন থেকে কোনো অর্থ কাটা হয়নি জেনে তিনি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
কনসুলেট সূত্র জানায়, সাপ্তাহিক ও অন্য ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রবাসীরা বিনা ফিতে (টোলফ্রি) হটলাইনে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক সেবা নিতে পারবেন। কনস্যুলেটের হটলাইন নম্বর- ৮০০২৪৪০০৫১।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।