
বিডিজেন ডেস্ক

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে টরন্টোয় এক মিলনমেলা ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) টরন্টোর ঢাকা কিচেন রেস্টুরেন্টে এই মিলনমেলা ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে স্মৃতিচারণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডায় অংশ নেন। এ সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিভাগের সদ্যপ্রয়াত শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও টরন্টোর রিয়েল এস্টেট এজেন্ট মাহবুব ওসমানী বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ—এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের সঙ্গে সহকর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তার। তিনি বলেন, “স্যার আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। তার স্নেহ ও দিকনির্দেশনা সব সময় মনে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন টিভি মেট্রো মেইল কানাডার প্রধান নির্বাহী ইমামুল হক। এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক অব মন্ট্রিয়লে কর্মরত ও অলাভজনক সংগঠন প্রোগ্রেসিভ অ্যাকশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্টের (পিএসিই) পরিচালক আবু মহসিন।
বাংলাদেশের এক সময়ের জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক আবু সাদাত অনুষ্ঠানে বলেন, “জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের একটি বিশেষ গুণ হলো পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, আমরা কোনো না কোনোভাবে এক হয়ে যাই। কে কোন ব্যাচের, কার বয়স কত, এসব বিষয় ভুলে গিয়ে সবাই একসঙ্গে সময় কাটাই। টরন্টোর এই ইফতার সন্ধ্যাটাও তেমনই।”
ইফতার অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা জানা শাম্মি, ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডার (ডিজিসি) সদস্য নির্মাতা ইকবাল হোসাইন চৌধুরী, সাংবাদিক রুহিনা তাসকিন এবং জিনাত আসগর, ইশরাত জাহান ও লাকি আনসারী। তারা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতিচারণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে টরন্টোয় এক মিলনমেলা ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) টরন্টোর ঢাকা কিচেন রেস্টুরেন্টে এই মিলনমেলা ও ইফতার আয়োজন করা হয়।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে স্মৃতিচারণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডায় অংশ নেন। এ সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিভাগের সদ্যপ্রয়াত শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও টরন্টোর রিয়েল এস্টেট এজেন্ট মাহবুব ওসমানী বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ—এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানের সঙ্গে সহকর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তার। তিনি বলেন, “স্যার আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। তার স্নেহ ও দিকনির্দেশনা সব সময় মনে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন টিভি মেট্রো মেইল কানাডার প্রধান নির্বাহী ইমামুল হক। এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক অব মন্ট্রিয়লে কর্মরত ও অলাভজনক সংগঠন প্রোগ্রেসিভ অ্যাকশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্টের (পিএসিই) পরিচালক আবু মহসিন।
বাংলাদেশের এক সময়ের জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক আবু সাদাত অনুষ্ঠানে বলেন, “জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের একটি বিশেষ গুণ হলো পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, আমরা কোনো না কোনোভাবে এক হয়ে যাই। কে কোন ব্যাচের, কার বয়স কত, এসব বিষয় ভুলে গিয়ে সবাই একসঙ্গে সময় কাটাই। টরন্টোর এই ইফতার সন্ধ্যাটাও তেমনই।”
ইফতার অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা জানা শাম্মি, ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডার (ডিজিসি) সদস্য নির্মাতা ইকবাল হোসাইন চৌধুরী, সাংবাদিক রুহিনা তাসকিন এবং জিনাত আসগর, ইশরাত জাহান ও লাকি আনসারী। তারা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষাজীবনের নানা স্মৃতিচারণ করেন। বিজ্ঞপ্তি
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।