
নূরের জামান ভূঁইয়া, ফিনল্যান্ড থেকে

ফিনল্যান্ডের ক্ষমতাসীন কোকোমুস পার্টির কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশি তাসলিমা আকতার জামান। ২০২৫ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য ফিনল্যান্ডের স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে রাজধানী হেলসিংকি শহরের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন তিনি। ২ ডিসেম্বর ক্ষমতাসীন দল কোকোমুস পার্টি তাঁকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দিয়েছে।
এবারের নির্বাচনে হেলসিংকি শহরের কাউন্সিলে কোকমুস পার্টি থেকে তিনিই প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি কাউন্সিলর প্রার্থী। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ফিনল্যান্ডের এই স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচন। এই নির্বাচনে এপ্রিলের ২-৮ তারিখে দেওয়া যাবে আগাম ভোট। ভোট দিতে পারবেন ফিনল্যান্ডে ২ বছর বসবাসরত যেকেউ। আর ভোট দানের নির্দিষ্ট শহরে ভোটের আগে ৫১ দিন।
তাসলিমা বলেন, তিনি বাংলাদেশি তথা স্থানীয় কমিউনিটির সবার সেবায় কাজ করতে চান। বিশেষ করে, অভিবাসীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও সমাজে একীভূতকরণে যুগোপযুগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা। নারীর ক্ষমতায়ন ও পোশাকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করন। শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে বাজেট বরাদ্ধ বাড়ানো। যুবসমাজের কথা চিন্তা করে ক্রিকেটর মতো জনপ্রিয় খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা। নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজের সকল সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
তিনি ছাত্রদের নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত ও বিশেষ সহায়তা প্রদানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বয়োবৃদ্ধদের যথাযথ সেবা নিশ্চিতে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
তাসলিমা ফিনল্যান্ডের একমাত্র বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম সংবাদ ২১ ডটকমের প্রকাশক। তিনি সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নের পাশাপাশি খেলাধুলার কল্যানে কাজ করে চলেছেন। তিনি ফিনল্যান্ডে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা।
চট্টগ্রম শহরে জন্ম নেওয়া তাসলিমা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক করেছেন। তিনি ব্যবসা করার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত। তিনি ২০০৯ সালে পারিবারিক ভিসায় ফিনল্যান্ড আসেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও তিন কন্যা সন্তানের জননী।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিনল্যান্ডের মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৩ এপ্রিল স্থানীয় নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হলে তা হবে হেলসিংকিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি গৌরবের বিষয়। তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

ফিনল্যান্ডের ক্ষমতাসীন কোকোমুস পার্টির কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশি তাসলিমা আকতার জামান। ২০২৫ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য ফিনল্যান্ডের স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে রাজধানী হেলসিংকি শহরের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন তিনি। ২ ডিসেম্বর ক্ষমতাসীন দল কোকোমুস পার্টি তাঁকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন দিয়েছে।
এবারের নির্বাচনে হেলসিংকি শহরের কাউন্সিলে কোকমুস পার্টি থেকে তিনিই প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি কাউন্সিলর প্রার্থী। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ফিনল্যান্ডের এই স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচন। এই নির্বাচনে এপ্রিলের ২-৮ তারিখে দেওয়া যাবে আগাম ভোট। ভোট দিতে পারবেন ফিনল্যান্ডে ২ বছর বসবাসরত যেকেউ। আর ভোট দানের নির্দিষ্ট শহরে ভোটের আগে ৫১ দিন।
তাসলিমা বলেন, তিনি বাংলাদেশি তথা স্থানীয় কমিউনিটির সবার সেবায় কাজ করতে চান। বিশেষ করে, অভিবাসীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও সমাজে একীভূতকরণে যুগোপযুগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা। নারীর ক্ষমতায়ন ও পোশাকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করন। শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে বাজেট বরাদ্ধ বাড়ানো। যুবসমাজের কথা চিন্তা করে ক্রিকেটর মতো জনপ্রিয় খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা। নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমাজের সকল সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
তিনি ছাত্রদের নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত ও বিশেষ সহায়তা প্রদানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বয়োবৃদ্ধদের যথাযথ সেবা নিশ্চিতে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
তাসলিমা ফিনল্যান্ডের একমাত্র বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম সংবাদ ২১ ডটকমের প্রকাশক। তিনি সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নের পাশাপাশি খেলাধুলার কল্যানে কাজ করে চলেছেন। তিনি ফিনল্যান্ডে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা।
চট্টগ্রম শহরে জন্ম নেওয়া তাসলিমা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক করেছেন। তিনি ব্যবসা করার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত। তিনি ২০০৯ সালে পারিবারিক ভিসায় ফিনল্যান্ড আসেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ও তিন কন্যা সন্তানের জননী।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিনল্যান্ডের মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৩ এপ্রিল স্থানীয় নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হলে তা হবে হেলসিংকিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি গৌরবের বিষয়। তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে