
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা থেকে

বিদেশের মাটিতে নানা কাজের মাঝেও প্রবাসীরা বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন। নিজ দেশের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও তাদের ভূমিকা কম নয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের জেদ্দায় হয়ে গেল বিজয় দিবস ক্রিকেট উৎসব ২০২৪-২৫।

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও জেদ্দায় বিজয় দিবস কাপ ক্রিকেটের ২০২৪-২৫ সালের সিজন-৫ টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলার আয়োজন করে সৌদি বাংলেদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস্ ফোরাম।

শনিবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় রাত ৯টা থেকে সরাফিয়া এরাবিয়ান ক্লাব মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

টুর্নামেন্টে প্রবাসী খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ২০টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে বেঙ্গল টাইগার ও ফেনী ক্রিকেট ক্লাব মুখোমুখি হয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফেনী ক্রিকেট ক্লাব।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১২ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে ফেনী ক্রিকেট ক্লাব। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৫ রান আসে আরিফের ব্যাটে। এ ছাড়া, অপরাজিত ৩৫ রান করেন রুবেল।

জয়ের জন্য ১৮৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ১২ ওভারে ১৬৭ রান তুলে বেঙ্গল টাইগার। ২০ রানে বেঙ্গল টাইগারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ফেনী ক্রিকেট ক্লাব।
ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে জেদ্দা ও মক্কা অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রবাসীরা ছুটে আসেন।

খেলা শেষে বিজয়ী দল এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেদ্দা কনস্যুলেটের কাউন্সেলর (কনস্যুলার উইং) এ এস এম সায়েম পুরস্কার বিতরণ করেন।
টুর্নামেন্টে ম্যান অব দা ম্যাচ এবং সেরা ব্যাটসম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন আরিফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি–বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস্ ফোরামের সভাপতি আবদুর রহমানসহ সেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, রেজাউল করিম টিপু, মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, রৌশন জামিল শিপু, সাংবাদিক এম ওয়াই আলাউদ্দিন, আজিজুর রহমান মিলন, মনোয়ার হোসেন খান, তছলিম উদ্দিন, মনির হোসেন, গাজি সাহেদ, মাসুদ সেলিম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এস এম সায়েম বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পরস্পরের সম্পর্ক দৃঢ় হয়। শারীরিক তথা মানসিক সুস্থতা এবং যুবসমাজের সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য এমন আয়োজন অপরিহার্য। সৌদি আরবে বৃহত্তর বাংলাদেশ কমিউনিটির বিনোদনের চাহিদা মেটাতে দেশটির আলাদা আলাদা প্রদেশের প্রবাসীদের নিয়ে এমন খেলাধুলার আয়োজন আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি প্রবাসী তরুণদের সৌদি আরবের ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ ও দেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রবাসের মাটিতে প্রবাসীদের নিয়ে খেলাধুলার আয়োজন খুব একটা দেখা যায় না। তবে এমন আয়োজন হলে প্রবাসীদের উৎসাহের কমতি থাকে না। জেদ্দার ক্লাব মাঠে শত-শত প্রবাসীর উপস্থিতি তেমনটাই জানান দিয়েছে। আয়োজকেরা জানান, আগামীতে বড় পরিসরে এই আয়োজনের পাশাপাশি ভালো খেলোয়াড়দের নিয়ে আরও দল গঠনের পরিকল্পনাও করছেন তারা।

বিজয়ী দলের ক্যাপ্টেন ও রানার্স আপ দলের ক্যাপ্টেন বলেন, 'আমাদের টিমের অবস্থান মোটামুটি ভালো। অনেক দিন একসঙ্গে অনুশীলন করেছি। আমরা সৌদি আরবে সুশৃঙ্খলভাবে খেলে যাব। আমাদের আশা ছিল এই টুর্নামেন্ট খেলার। সেই আশা আমাদের পূরণ হয়েছে। সারাদিন কাজ করার পর সবাই মিলে খেলছি। খুব ভালো লাগছে। আমরা আজকে শুধু খেলে চলে যাব বিষয়টা এমন না। এখান থেকে আমরা ভালো খেলোয়াড় বাছাই করব এবং সবসময়ের জন্য এই টুর্নামেন্ট চালু রাখব।

বিদেশের মাটিতে নানা কাজের মাঝেও প্রবাসীরা বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন। নিজ দেশের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও তাদের ভূমিকা কম নয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সৌদি আরবের জেদ্দায় হয়ে গেল বিজয় দিবস ক্রিকেট উৎসব ২০২৪-২৫।

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও জেদ্দায় বিজয় দিবস কাপ ক্রিকেটের ২০২৪-২৫ সালের সিজন-৫ টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল খেলার আয়োজন করে সৌদি বাংলেদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস্ ফোরাম।

শনিবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় রাত ৯টা থেকে সরাফিয়া এরাবিয়ান ক্লাব মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

টুর্নামেন্টে প্রবাসী খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে ২০টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে বেঙ্গল টাইগার ও ফেনী ক্রিকেট ক্লাব মুখোমুখি হয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফেনী ক্রিকেট ক্লাব।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১২ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে ফেনী ক্রিকেট ক্লাব। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৫ রান আসে আরিফের ব্যাটে। এ ছাড়া, অপরাজিত ৩৫ রান করেন রুবেল।

জয়ের জন্য ১৮৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ১২ ওভারে ১৬৭ রান তুলে বেঙ্গল টাইগার। ২০ রানে বেঙ্গল টাইগারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ফেনী ক্রিকেট ক্লাব।
ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে জেদ্দা ও মক্কা অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রবাসীরা ছুটে আসেন।

খেলা শেষে বিজয়ী দল এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেদ্দা কনস্যুলেটের কাউন্সেলর (কনস্যুলার উইং) এ এস এম সায়েম পুরস্কার বিতরণ করেন।
টুর্নামেন্টে ম্যান অব দা ম্যাচ এবং সেরা ব্যাটসম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন আরিফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদি–বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টরস্ ফোরামের সভাপতি আবদুর রহমানসহ সেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, রেজাউল করিম টিপু, মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, রৌশন জামিল শিপু, সাংবাদিক এম ওয়াই আলাউদ্দিন, আজিজুর রহমান মিলন, মনোয়ার হোসেন খান, তছলিম উদ্দিন, মনির হোসেন, গাজি সাহেদ, মাসুদ সেলিম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এস এম সায়েম বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পরস্পরের সম্পর্ক দৃঢ় হয়। শারীরিক তথা মানসিক সুস্থতা এবং যুবসমাজের সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য এমন আয়োজন অপরিহার্য। সৌদি আরবে বৃহত্তর বাংলাদেশ কমিউনিটির বিনোদনের চাহিদা মেটাতে দেশটির আলাদা আলাদা প্রদেশের প্রবাসীদের নিয়ে এমন খেলাধুলার আয়োজন আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি প্রবাসী তরুণদের সৌদি আরবের ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ ও দেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রবাসের মাটিতে প্রবাসীদের নিয়ে খেলাধুলার আয়োজন খুব একটা দেখা যায় না। তবে এমন আয়োজন হলে প্রবাসীদের উৎসাহের কমতি থাকে না। জেদ্দার ক্লাব মাঠে শত-শত প্রবাসীর উপস্থিতি তেমনটাই জানান দিয়েছে। আয়োজকেরা জানান, আগামীতে বড় পরিসরে এই আয়োজনের পাশাপাশি ভালো খেলোয়াড়দের নিয়ে আরও দল গঠনের পরিকল্পনাও করছেন তারা।

বিজয়ী দলের ক্যাপ্টেন ও রানার্স আপ দলের ক্যাপ্টেন বলেন, 'আমাদের টিমের অবস্থান মোটামুটি ভালো। অনেক দিন একসঙ্গে অনুশীলন করেছি। আমরা সৌদি আরবে সুশৃঙ্খলভাবে খেলে যাব। আমাদের আশা ছিল এই টুর্নামেন্ট খেলার। সেই আশা আমাদের পূরণ হয়েছে। সারাদিন কাজ করার পর সবাই মিলে খেলছি। খুব ভালো লাগছে। আমরা আজকে শুধু খেলে চলে যাব বিষয়টা এমন না। এখান থেকে আমরা ভালো খেলোয়াড় বাছাই করব এবং সবসময়ের জন্য এই টুর্নামেন্ট চালু রাখব।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে