
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে জমকালো এক অনুষ্ঠান। ২২ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দুবাইয়ের একটি হোটেলের বলরুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুবাই অফিসের হেড অব প্রোটোকল অ্যান্ড অপারেশন মুহাম্মদ আল বাহারি।

আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ও কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রাসেদুজ্জামান, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ প্রায় ৩০টি দেশের কনসাল জেনারেল ও কূটনৈতিক মিশনের সদস্য এবং কনসুলেটের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশার নেতারা আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।
মিশন প্রধান আশফাক হোসেনের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ ও আমিরাতের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রোটোকল অ্যান্ড অপারেশন মুহাম্মদ আল বাহারি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।

কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন। বিশ্বের সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখে কূটনৈতিক সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সুসম্পর্ক ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন প্রান্তের বাংলাদেশ মিশনগুলোর মতো দুবাই মিশনও কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ তার বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে কাজ করছে বলে জানান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে জমকালো এক অনুষ্ঠান। ২২ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দুবাইয়ের একটি হোটেলের বলরুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুবাই অফিসের হেড অব প্রোটোকল অ্যান্ড অপারেশন মুহাম্মদ আল বাহারি।

আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ও কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রাসেদুজ্জামান, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনসহ প্রায় ৩০টি দেশের কনসাল জেনারেল ও কূটনৈতিক মিশনের সদস্য এবং কনসুলেটের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশার নেতারা আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।
মিশন প্রধান আশফাক হোসেনের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ ও আমিরাতের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রোটোকল অ্যান্ড অপারেশন মুহাম্মদ আল বাহারি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।

কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন। বিশ্বের সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখে কূটনৈতিক সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সুসম্পর্ক ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন প্রান্তের বাংলাদেশ মিশনগুলোর মতো দুবাই মিশনও কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ তার বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে কাজ করছে বলে জানান।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।