
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মালয়েশিয়ায় প্রতিবাদ সভা করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়া।
গত রোববার (১০ আগস্ট) বিকেলে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি অফিস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রতিবাদ সভা।
এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম রতন। সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা শফিকুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন কমিউনিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরন, দপ্তর সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, সাংবাদিক আশরাফুল মামুন ও মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
বক্তারা সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনসহ সকল সাংবাদিক হত্যার সঠিক বিচার এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শেষে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় নিহত সকল সাংবাদিকদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মালয়েশিয়ায় প্রতিবাদ সভা করেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়া।
গত রোববার (১০ আগস্ট) বিকেলে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি অফিস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রতিবাদ সভা।
এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম রতন। সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা শফিকুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন কমিউনিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সিনিয়র সহসভাপতি রফিক আহমদ খান, সহসভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরন, দপ্তর সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, সাংবাদিক আশরাফুল মামুন ও মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
বক্তারা সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনসহ সকল সাংবাদিক হত্যার সঠিক বিচার এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শেষে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনায় নিহত সকল সাংবাদিকদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।