
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার হেরিটেজ শহর মালাক্কায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার (৭ জুন) সকালে মালাক্কা পারকেসো রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে এই চিত্তবিনোদন ও ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিল
মালয়েশিয়া সরকারের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা 'পারকেসো' (PERKESO)।
আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালাক্কা রাজ্যের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও সার্ভিস সেক্টরে কর্মরত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী, নিয়োগকর্তা, পেশাজীবী ও বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পারকেসোর বিদেশি শ্রমিক বিভাগের প্রধান হারিরি হারুন ও উপ-পরিচালক ড. শিভানান্দা রাজাহ সাতগুনাম। এ ছাড়া, পারকেসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউস, এনবিএল মানি ট্রান্সফার ও সিবিএল মানি ট্রান্সফার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর মালয়েশিয়া সরকারের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা পারকেসোর পক্ষ থেকে বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিচালিত সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক বিমা স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পারকেসোর প্রতিনিধিরা।

হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে প্রবাসীদের বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মালয়েশিয়ার সরকারের দেশি ও বিদেশি কর্মীদের জন্য সাম্প্রতিক সুরক্ষা বিমা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা, পূনর্বাসন ও পেনশন সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক বিমা স্কিমে বাংলাদেশি কর্মীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তাদের অনুরোধ জানান হাইকমিশনার। তিনি প্রবাসী কর্মীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে এবং বিভিন্ন সঞ্চয় ও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে উৎসাহিত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম), পারকেসোর প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধি, সিবিএল রেমিট্যান্স হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কয়েকজন মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তা ও বাংলাদেশি কর্মী।
তারা তাদের বক্তব্যে প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণ, শ্রম অধিকার সংরক্ষণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলা, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা বিমা স্কিম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা এবং বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে কর্মীদের উৎসাহিত করেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন প্রবাসী শিল্পীরা। পরে মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

মালয়েশিয়ার হেরিটেজ শহর মালাক্কায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
রোববার (৭ জুন) সকালে মালাক্কা পারকেসো রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে এই চিত্তবিনোদন ও ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় ছিল
মালয়েশিয়া সরকারের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা 'পারকেসো' (PERKESO)।
আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মালাক্কা রাজ্যের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও সার্ভিস সেক্টরে কর্মরত উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী, নিয়োগকর্তা, পেশাজীবী ও বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পারকেসোর বিদেশি শ্রমিক বিভাগের প্রধান হারিরি হারুন ও উপ-পরিচালক ড. শিভানান্দা রাজাহ সাতগুনাম। এ ছাড়া, পারকেসোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউস, এনবিএল মানি ট্রান্সফার ও সিবিএল মানি ট্রান্সফার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর মালয়েশিয়া সরকারের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক সুরক্ষা সংস্থা পারকেসোর পক্ষ থেকে বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিচালিত সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক বিমা স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পারকেসোর প্রতিনিধিরা।

হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে প্রবাসীদের বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মালয়েশিয়ার সরকারের দেশি ও বিদেশি কর্মীদের জন্য সাম্প্রতিক সুরক্ষা বিমা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা, পূনর্বাসন ও পেনশন সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক বিমা স্কিমে বাংলাদেশি কর্মীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তাদের অনুরোধ জানান হাইকমিশনার। তিনি প্রবাসী কর্মীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে এবং বিভিন্ন সঞ্চয় ও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশ নিতে উৎসাহিত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম), পারকেসোর প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কমিউনিটির প্রতিনিধি, সিবিএল রেমিট্যান্স হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কয়েকজন মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তা ও বাংলাদেশি কর্মী।
তারা তাদের বক্তব্যে প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণ, শ্রম অধিকার সংরক্ষণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার আইন মেনে চলা, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা বিমা স্কিম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা এবং বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে কর্মীদের উৎসাহিত করেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন প্রবাসী শিল্পীরা। পরে মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
অতিথি ও বিএমএস পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এই মিলনমেলায় অংশ নেন, যেখানে পেশাদারত্বের পাশাপাশি ছিল উষ্ণ বন্ধুত্ব, সংস্কৃতির আলো আর স্বদেশের সুর।
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ড্রোন হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় নাগরিক ও অন্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন।
অনুষ্ঠানে একক ও দ্বৈত পরিবেশনায় ছিল নৃত্য আর সংগীতের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। লুবনা আলম তার অসাধারণ গায়কীতে নজরুলগীতি ‘মধুর নুপুর বাজে’ পরিবেশন করে শ্রোতাদের জাগতিক মোহ থেকে মুক্ত করে এক চিরন্তন সুন্দরের পানে নিয়ে যান।