
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েত–বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি এবং তারণ্যের উৎসব উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইউএন-হ্যাবিট্যাটের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) কুয়েতের জাবরিয়া ব্লাড ব্যাংকে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি দুপুর ১টায় শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

কর্মসূচি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ও বিশেষ অতিথি জাতিসংঘের মানব বসতি কর্মসূচির (ইউএন-হ্যাবিট্যাট) মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অফিসের হেড অফ মিশন ড. আমিরা আল হাসান।
কর্মসূচিতে কুয়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে উল্লেখযোগ্য হারে তরুণ প্রবাসীরা এসে স্বেচ্ছায় রক্ত দেন। এ ছাড়া, প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা।

কুয়েত–বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি এবং তারণ্যের উৎসব উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইউএন-হ্যাবিট্যাটের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) কুয়েতের জাবরিয়া ব্লাড ব্যাংকে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি দুপুর ১টায় শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

কর্মসূচি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ও বিশেষ অতিথি জাতিসংঘের মানব বসতি কর্মসূচির (ইউএন-হ্যাবিট্যাট) মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অফিসের হেড অফ মিশন ড. আমিরা আল হাসান।
কর্মসূচিতে কুয়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে উল্লেখযোগ্য হারে তরুণ প্রবাসীরা এসে স্বেচ্ছায় রক্ত দেন। এ ছাড়া, প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।