কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তা নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। বিশেষ করে নারী কর্মসংস্থান হ্রাস, যুব বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং অভিবাসী শ্রমিকদের অনিশ্চয়তা বাড়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক।
দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৭ শতাংশ কৃষি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ২১ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকা এবং কৃষিজমি হ্রাস, মাটির উর্বরতা অবনমন ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
অভিবাসন ও শরণার্থীবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল, এই খাতের বিভিন্ন অভিযোগ ও এজেন্সিদের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। এর ভিত্তিতে এজেন্সিদের তালিকা করা। কিন্তু এসব না করে নতুন করে লাইসেন্স দেওয়া হলো যার ফলে এই খাতের জবাবদিহিতা আরও দুর্বল হলো।”
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২৫ সালের শ্রমশক্তি প্রবৃদ্ধি সূচকে বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এ ছাড়া পাঁচটি অন্য সূচকে শীর্ষ পাঁচে অবস্থান করেছে, যার মধ্যে রয়েছে শ্রমশক্তির শতাংশে বিশ্বে ২য় স্থান এবং বিদেশি শ্রমশক্তির শতাংশে বিশ্বে ২য় স্থান।