
বিডিজেন ডেস্ক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় অপারেশন ডেভিল হান্ট চালানোর সময় যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
খবর ইনডিপেনডেন্ট অনলাইনের।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাওসার মিয়ার ব্রিকফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও ককটেলসহ ২ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তাররা হলেন চরকিং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মতিনের ছেলে ইমাম হোসেন (৫০) ও একই ওয়ার্ডের প্রয়াত নুরুল হকের ছেলে নবীর উদ্দিন (৫০)।
পুলিশের ভাষ্য, সোমবার গভীর রাতে কাওসার মিয়ার ব্রিকফিল্ড এলাকায় একদল সন্ত্রাসীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে যৌথ বাহিনী সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে অবস্থানকারী সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। জবাবে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ২৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ২ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ৩টি একনলা দেশি বন্দুক, ৮টি কার্তুজ, ২০টি ককটেল, কয়েকটি দেশি অস্ত্র জব্দ করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
এদিকে অভিযানের বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে নৌবাহিনী হাতিয়া কন্টিজেন্টের প্রধান কমান্ডার আফসার আহাম্মেদ বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় হাতিয়ায় অভিযান চলছে। হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় অপারেশন ডেভিল হান্ট চালানোর সময় যৌথ বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
খবর ইনডিপেনডেন্ট অনলাইনের।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাওসার মিয়ার ব্রিকফিল্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও ককটেলসহ ২ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তাররা হলেন চরকিং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মতিনের ছেলে ইমাম হোসেন (৫০) ও একই ওয়ার্ডের প্রয়াত নুরুল হকের ছেলে নবীর উদ্দিন (৫০)।
পুলিশের ভাষ্য, সোমবার গভীর রাতে কাওসার মিয়ার ব্রিকফিল্ড এলাকায় একদল সন্ত্রাসীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে যৌথ বাহিনী সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে অবস্থানকারী সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। জবাবে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ২৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ২ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ৩টি একনলা দেশি বন্দুক, ৮টি কার্তুজ, ২০টি ককটেল, কয়েকটি দেশি অস্ত্র জব্দ করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
এদিকে অভিযানের বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে নৌবাহিনী হাতিয়া কন্টিজেন্টের প্রধান কমান্ডার আফসার আহাম্মেদ বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় হাতিয়ায় অভিযান চলছে। হাতিয়া একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।