
প্রতিবেদক, বিডিজেন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদেরা ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিরা ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামে অভিহিত হবেন। ‘জুলাই শহীদ’ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা এবং মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এ ছাড়া শহীদ পরিবারের সক্ষম সদস্যরা সরকারি ও আধা সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি( বিকেলে রাজধানী ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের তালিকা গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের প্রতিটি পরিবার এককালীন টাকা হিসেবে চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা এবং আসন্ন অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে বাকি ২০ লাখ টাকা পাবেন। আর প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জুলাই যোদ্ধাদের তিনটি চিকিৎসা শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ‘এ’ শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমন আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা ৪৯৩। যারা চিকিৎসার পরেও শারীরিক অসামর্থ্যের নিরিখে অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবনযাপনে অক্ষম। এই শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা একেকজন এককালীন ৫ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ২ লাখ এবং আসন্ন অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা পাবেন। তারা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আজীবন চিকিৎসা পাবেন। এ ছাড়া, মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে দেশি-বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসা এবং কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন–সুবিধাও পাবেন। তারা পরিচয়পত্রও পাবেন, যা দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে যারা গুরুতর আহত, তাদের ‘বি’ শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমন আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা ৯০৮। তারা পর্যাপ্ত চিকিৎসার পরেও শারীরিক অসামর্থ্যের নিরিখে অন্যের আংশিক সহায়তায় জীবনযাপনে সক্ষম হবেন বলে প্রতীয়মান হবেন। তারা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ১ লাখ টাকা এবং আগামী অর্থবছরে ২ লাখ টাকা পাবেন। তারা প্রতি মাসে ভাতা পাবেন ১৫ হাজার। কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি ও আধা সরকারি কর্মসংস্থান পাবেন। এ ছাড়া তারা পরিচয়পত্রও পাবেন, যা দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
আর আহত ব্যক্তিদের ‘সি’শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাদের সংখ্যা ১০ হাজার ৬৪৮। চিকিৎসার পরে তারা বর্তমানে সুস্থ। তারা এককালীন এক লাখ টাকা এবং মাসে ১০ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এ ছাড়া তারা পুনর্বাসন–সুবিধা পাবেন। আর পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, মেডিকেল বোর্ড এবং যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, তার নিরিখে আহত ব্যক্তিদের এই শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ বিষয় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়) জানিয়েছেন মার্চ মাস থেকে মাসিক ভাতা দেওয়া শুরু করতে চেষ্টা করবেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদেরা ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিরা ‘জুলাই যোদ্ধা’ নামে অভিহিত হবেন। ‘জুলাই শহীদ’ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা এবং মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এ ছাড়া শহীদ পরিবারের সক্ষম সদস্যরা সরকারি ও আধা সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি( বিকেলে রাজধানী ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের তালিকা গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের প্রতিটি পরিবার এককালীন টাকা হিসেবে চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা এবং আসন্ন অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে বাকি ২০ লাখ টাকা পাবেন। আর প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জুলাই যোদ্ধাদের তিনটি চিকিৎসা শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ‘এ’ শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমন আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা ৪৯৩। যারা চিকিৎসার পরেও শারীরিক অসামর্থ্যের নিরিখে অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবনযাপনে অক্ষম। এই শ্রেণির জুলাই যোদ্ধারা একেকজন এককালীন ৫ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ২ লাখ এবং আসন্ন অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা পাবেন। তারা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা এবং বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আজীবন চিকিৎসা পাবেন। এ ছাড়া, মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে দেশি-বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসা এবং কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন–সুবিধাও পাবেন। তারা পরিচয়পত্রও পাবেন, যা দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে যারা গুরুতর আহত, তাদের ‘বি’ শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমন আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা ৯০৮। তারা পর্যাপ্ত চিকিৎসার পরেও শারীরিক অসামর্থ্যের নিরিখে অন্যের আংশিক সহায়তায় জীবনযাপনে সক্ষম হবেন বলে প্রতীয়মান হবেন। তারা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ১ লাখ টাকা এবং আগামী অর্থবছরে ২ লাখ টাকা পাবেন। তারা প্রতি মাসে ভাতা পাবেন ১৫ হাজার। কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি ও আধা সরকারি কর্মসংস্থান পাবেন। এ ছাড়া তারা পরিচয়পত্রও পাবেন, যা দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
আর আহত ব্যক্তিদের ‘সি’শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাদের সংখ্যা ১০ হাজার ৬৪৮। চিকিৎসার পরে তারা বর্তমানে সুস্থ। তারা এককালীন এক লাখ টাকা এবং মাসে ১০ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এ ছাড়া তারা পুনর্বাসন–সুবিধা পাবেন। আর পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, মেডিকেল বোর্ড এবং যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, তার নিরিখে আহত ব্যক্তিদের এই শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, এ বিষয় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়) জানিয়েছেন মার্চ মাস থেকে মাসিক ভাতা দেওয়া শুরু করতে চেষ্টা করবেন।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।