
বিডিজেন ডেস্ক

কুমিল্লায় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবুল কাশেম (৬৫)। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পৌরসভা হায়দার ফুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত আবুল কাশেম চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সেনেরখীল গ্রামের মৃত আনু মিয়ার ছেলে। দুর্ঘটনার তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজির হোসেন।
আবুল কাশেমের ভাতিজা মুসা ইবনে মালেক বলেন, ‘আমার চাচা আবুল কাশেম মহাসড়ক দিয়ে একপাশে হেঁটে চৌদ্দগ্রাম বাজারে যাচ্ছিলেন। পৌরসভার হায়দারপুর এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা একটি পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আবুল কাশেমের মৃত্যু পথেই হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার এসআই নাজির হোসেন বলেন, চৌদ্দগ্রাম হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

কুমিল্লায় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবুল কাশেম (৬৫)। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পৌরসভা হায়দার ফুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত আবুল কাশেম চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সেনেরখীল গ্রামের মৃত আনু মিয়ার ছেলে। দুর্ঘটনার তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজির হোসেন।
আবুল কাশেমের ভাতিজা মুসা ইবনে মালেক বলেন, ‘আমার চাচা আবুল কাশেম মহাসড়ক দিয়ে একপাশে হেঁটে চৌদ্দগ্রাম বাজারে যাচ্ছিলেন। পৌরসভার হায়দারপুর এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা একটি পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আবুল কাশেমের মৃত্যু পথেই হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার এসআই নাজির হোসেন বলেন, চৌদ্দগ্রাম হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।