
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও সুপ্রিম কোর্ট চত্বরসংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী শনিবার (১৪ জুন) থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অরডিন্যান্স, ১৯৭৬ (অরডিন্যান্স নম্বর-III/৭৬)-এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এর প্রবেশপথ এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের সম্মুখ অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
একই সঙ্গে, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে কর্মসূচির নামে সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও সুপ্রিম কোর্ট চত্বরসংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী শনিবার (১৪ জুন) থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অরডিন্যান্স, ১৯৭৬ (অরডিন্যান্স নম্বর-III/৭৬)-এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবন, বিচারপতি ভবন, জাজেস কমপ্লেক্স, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান গেট, মাজার গেট, জামে মসজিদ গেট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২-এর প্রবেশপথ এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের সম্মুখ অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
একই সঙ্গে, বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে কর্মসূচির নামে সড়ক অবরোধ করে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।