
বিডিজেন ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরের ফেরিঘাট এলাকা থেকে র্যাব পরিচয়ে দুই সৌদি আরব প্রবাসীকে অপহরণের পর ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের শিকার প্রবাসীরা হলেন—জমিস শেখ ও সুজন খান।
খবর ঢাকা পোস্টের।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত ৭টার দিকে শ্রীনগরের ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা ঢাকা থেকে শ্রীনগরের বালাসুরের উদ্দেশে নগর পরিবহনের একটি বাসে উঠেছিলেন। রাত আনুমানিক ৭টার দিকে বাসটি শ্রীনগরের ফেরিঘাটে পৌঁছালে র্যাব পরিচয় দিয়ে একদল ব্যক্তি বাস থামিয়ে তাদের জোরপূর্বক নামিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা তাদের জসিম শেখের কাছ থেকে ২৫ লাখ ২০ হাজার এবং সুজন খানের কাছ থেকে ১১ লাখ ৩০ হাজার ও মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। পরে তাদের ঢাকার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা।
এ বিষয়ে র্যাব-১০-এর ভাগ্যকুল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, র্যাব পরিচয়ে যেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে, তারা প্রকৃত র্যাব সদস্য নয়। এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এই চক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিল আহমেদ সকাল ১০টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগীরা থানায় এসেছিলেন, তবে এখনো অভিযোগ দায়ের করেনি। তারা অভিযোগ দায়ের করবেন। লুণ্ঠিত মালামাল এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাস থেকে নামিয়ে মাইক্রোতে তুলে তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরের ফেরিঘাট এলাকা থেকে র্যাব পরিচয়ে দুই সৌদি আরব প্রবাসীকে অপহরণের পর ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের শিকার প্রবাসীরা হলেন—জমিস শেখ ও সুজন খান।
খবর ঢাকা পোস্টের।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত ৭টার দিকে শ্রীনগরের ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা ঢাকা থেকে শ্রীনগরের বালাসুরের উদ্দেশে নগর পরিবহনের একটি বাসে উঠেছিলেন। রাত আনুমানিক ৭টার দিকে বাসটি শ্রীনগরের ফেরিঘাটে পৌঁছালে র্যাব পরিচয় দিয়ে একদল ব্যক্তি বাস থামিয়ে তাদের জোরপূর্বক নামিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা তাদের জসিম শেখের কাছ থেকে ২৫ লাখ ২০ হাজার এবং সুজন খানের কাছ থেকে ১১ লাখ ৩০ হাজার ও মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। পরে তাদের ঢাকার আব্দুল্লাহপুর এলাকায় ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা।
এ বিষয়ে র্যাব-১০-এর ভাগ্যকুল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, র্যাব পরিচয়ে যেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে, তারা প্রকৃত র্যাব সদস্য নয়। এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এই চক্রকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিল আহমেদ সকাল ১০টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগীরা থানায় এসেছিলেন, তবে এখনো অভিযোগ দায়ের করেনি। তারা অভিযোগ দায়ের করবেন। লুণ্ঠিত মালামাল এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী প্রবাসীরা জানিয়েছেন, তাদের বাস থেকে নামিয়ে মাইক্রোতে তুলে তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।