
বিডিজেন ডেস্ক

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দিতে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে গুলিতে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণের নাম সাইদুল ইসলাম (২৪)। তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের গামাইরতলা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. সাইদুল ইসলামসহ কয়েকজন বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে সুপারি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় সাইদুল গুলিবিদ্ধ হন। পরে সাইদুলকে তাঁর সহযোগীরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুর ইসলাম বলেন, সাইদুল ইসলামের পেটে গুলি লেগেছে। সাইদুলের লাশের ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, সীমান্ত দিয়ে সুপারি নিয়ে গেলে সাইদুলের সঙ্গে বিএসএফ সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তবে বিএসএফের গুলিতে সাইদুল মারা গেছেন, সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি বিজিবি।
এই বিষয়ে সুনামগঞ্জে বিজিবির ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানিয়েছেন, সাইদুল ইসলাম বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আরও কয়েকজনকে নিয়ে সুপারি চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের ভেতরে ঢুকে পড়েন। স্থানীয় লোকজন ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা জানতে পেরেছেন, তখন নাকি বিএসএফ সাইদুলকে গুলি করেছে। তবে বিজিবি এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। এ জন্য বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বিজিবির মাছিমপুর বিওপি ও ভারতের কড়াইগড়া বিএসএফ ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দিতে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে গুলিতে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণের নাম সাইদুল ইসলাম (২৪)। তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের গামাইরতলা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. সাইদুল ইসলামসহ কয়েকজন বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে সুপারি নিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় সাইদুল গুলিবিদ্ধ হন। পরে সাইদুলকে তাঁর সহযোগীরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুর ইসলাম বলেন, সাইদুল ইসলামের পেটে গুলি লেগেছে। সাইদুলের লাশের ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, সীমান্ত দিয়ে সুপারি নিয়ে গেলে সাইদুলের সঙ্গে বিএসএফ সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তবে বিএসএফের গুলিতে সাইদুল মারা গেছেন, সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি বিজিবি।
এই বিষয়ে সুনামগঞ্জে বিজিবির ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানিয়েছেন, সাইদুল ইসলাম বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আরও কয়েকজনকে নিয়ে সুপারি চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের ভেতরে ঢুকে পড়েন। স্থানীয় লোকজন ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা জানতে পেরেছেন, তখন নাকি বিএসএফ সাইদুলকে গুলি করেছে। তবে বিজিবি এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। এ জন্য বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বিজিবির মাছিমপুর বিওপি ও ভারতের কড়াইগড়া বিএসএফ ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।