
বিডিজেন ডেস্ক

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে মো. ফখরুদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ বলেছে, তিনি লিবিয়ার মানব পাচারকারী চক্রের প্রধান। পালাতে সহায়তার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ট্রাফিক হেলপার শওকত আলীকেও আটক করা হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল রোববার (১৬ মার্চ) ঢাকার বিমানবন্দর থানার পুলিশ তাঁদের আটক করে।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, দুজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।
ফখরুদ্দিন গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে একটি ফ্লাইটে কায়রো থেকে ঢাকায় পৌঁছান। পুলিশ সূত্র জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের লিবিয়ায় পাচার, আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে মো. ফখরুদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ বলেছে, তিনি লিবিয়ার মানব পাচারকারী চক্রের প্রধান। পালাতে সহায়তার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ট্রাফিক হেলপার শওকত আলীকেও আটক করা হয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল রোববার (১৬ মার্চ) ঢাকার বিমানবন্দর থানার পুলিশ তাঁদের আটক করে।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, দুজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।
ফখরুদ্দিন গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে একটি ফ্লাইটে কায়রো থেকে ঢাকায় পৌঁছান। পুলিশ সূত্র জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের লিবিয়ায় পাচার, আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।