
বিডিজেন ডেস্ক

বান্দরবানের লামা উপজেলায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সংগঠনটি অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুর্নবাসন নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এইচআরএফবি বলেছে, কয়েক দশক ধরে পার্বত্য ৩ জেলায় পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাবশালীদের মদদে যে নানা ধরনের নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, এ হামলা তারই ধারাবাহিকতা।
এইচআরএফবি এমন ন্যাক্কারজনক হামলার তদন্ত, বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের ওপর জোর দিয়েছে। তা ছাড়া, প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রদান ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
লামায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ
২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বেতছড়া ত্রিপুরা ( নতুন তংগোঝিরি) পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পাড়ার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বাসিন্দারা বড়দিনের উৎসব পালন করতে পাশের এলাকায় অবস্থান করছিলেন। মধ্যরাতে হঠাৎ পাড়ার বাড়িঘরে আগুন দেখতে পান তারা। সেখানে গিয়ে তারা দেখেন পুরো পাড়া পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, সোলার, হাঁড়ি-পাতিল, পোশাক ও কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়। আগুনে ১৭টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। সংগঠনটি অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুর্নবাসন নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এইচআরএফবি বলেছে, কয়েক দশক ধরে পার্বত্য ৩ জেলায় পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাবশালীদের মদদে যে নানা ধরনের নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, এ হামলা তারই ধারাবাহিকতা।
এইচআরএফবি এমন ন্যাক্কারজনক হামলার তদন্ত, বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের ওপর জোর দিয়েছে। তা ছাড়া, প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রদান ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
লামায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ
২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বেতছড়া ত্রিপুরা ( নতুন তংগোঝিরি) পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পাড়ার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বাসিন্দারা বড়দিনের উৎসব পালন করতে পাশের এলাকায় অবস্থান করছিলেন। মধ্যরাতে হঠাৎ পাড়ার বাড়িঘরে আগুন দেখতে পান তারা। সেখানে গিয়ে তারা দেখেন পুরো পাড়া পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তাদের ঘরের আসবাবপত্র, সোলার, হাঁড়ি-পাতিল, পোশাক ও কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়। আগুনে ১৭টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।