
বিডিজেন ডেস্ক

বিদেশফেরত বেশির ভাগ প্রবাসী মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। বিশেষ করে যারা ব্যর্থ হয়ে বা অনেক দিন পর দেশে ফেরেন, তাদের এই যন্ত্রণা বেশি হয়ে থাকে।
অভিবাসী ও বিদেশফেরত অভিবাসীদের মনোসামাজিক সংকট নিয়ে করা ব্র্যাকের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বিদেশফেরতদের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, একাকিত্ব, শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন, চাকরি হারানো, ঠিকমতো বেতন না পাওয়াসহ সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে অভিবাসীরা মানসিক সংকটে পড়েন। কিন্তু বাংলাদেশের অন্য সবার মতো প্রবাসীরাও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দেন না। তবে আমরা দেখেছি, যারা কাউন্সেলিং সেবা নিয়েছেন বা পেয়েছেন, তারা দ্রুত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। বিশেষত নারীরা পুরুষদের চেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাবিষয়ক অ্যাডভোকেসি গন্তব্য দেশ থেকেই শুরু করতে হবে। পাশাপাশি ফেরত আসা অভিবাসী শ্রমিক এবং পাচার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা সেবাকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও আমাদের জোর দিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মান্নান।
তিনি বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্য যে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেটা অনেক সময় আমরা বুঝে উঠতে পারি না। সরকার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশ-ফেরতদের জন্য সরকারের নীতির খসড়ায় বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ করব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের রেইজ প্রকল্পের পরিচালক ড. এ টি এম মাহবুব-উল করিম।
তিনি বলেন, ‘বিদেশফেরতদের দৃশ্যমান সহায়তা করা আমাদের লক্ষ্য। বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর আমরা যেমন তাদের কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছি, তেমনি বিদেশগামী কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি জানাতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজিয়া হায়দার ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাহনুমা সালাম খান।

বিদেশফেরত বেশির ভাগ প্রবাসী মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। বিশেষ করে যারা ব্যর্থ হয়ে বা অনেক দিন পর দেশে ফেরেন, তাদের এই যন্ত্রণা বেশি হয়ে থাকে।
অভিবাসী ও বিদেশফেরত অভিবাসীদের মনোসামাজিক সংকট নিয়ে করা ব্র্যাকের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সম্প্রতি ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বিদেশফেরতদের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি, একাকিত্ব, শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন, চাকরি হারানো, ঠিকমতো বেতন না পাওয়াসহ সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে অভিবাসীরা মানসিক সংকটে পড়েন। কিন্তু বাংলাদেশের অন্য সবার মতো প্রবাসীরাও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দেন না। তবে আমরা দেখেছি, যারা কাউন্সেলিং সেবা নিয়েছেন বা পেয়েছেন, তারা দ্রুত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন। বিশেষত নারীরা পুরুষদের চেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাবিষয়ক অ্যাডভোকেসি গন্তব্য দেশ থেকেই শুরু করতে হবে। পাশাপাশি ফেরত আসা অভিবাসী শ্রমিক এবং পাচার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা সেবাকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও আমাদের জোর দিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মান্নান।
তিনি বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্য যে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সেটা অনেক সময় আমরা বুঝে উঠতে পারি না। সরকার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশ-ফেরতদের জন্য সরকারের নীতির খসড়ায় বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ করব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের রেইজ প্রকল্পের পরিচালক ড. এ টি এম মাহবুব-উল করিম।
তিনি বলেন, ‘বিদেশফেরতদের দৃশ্যমান সহায়তা করা আমাদের লক্ষ্য। বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর আমরা যেমন তাদের কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছি, তেমনি বিদেশগামী কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি জানাতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজিয়া হায়দার ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাহনুমা সালাম খান।
জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে নামাজ আদায় করেন। তাদের সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জামাতে অংশ নেন।
মরদেহ হস্তান্তরকালে মন্ত্রী নিহত মোশাররফ হোসেনের পরিবারকে দাফন কার্য সম্পন্নের জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। এ ছাড়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে ঈদের পর নিহতের পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৯ বা ৩০ দিনে মাস হয়ে থাকে। ২৯ রমজান শেষে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রমজান শেষে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।