
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে। আজ বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসনের জানাজায় অংশগ্রহণ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন সমর্থকেরা।
সিরাজগঞ্জ থেকে আসা ৭০–ঊর্ধ্ব বয়সী বিএনপির সমর্থক হাজি চান মিয়া বলেন, “খালেদা জিয়া মরার খবর হুনার পর থিকায় ঢাকা আসার চিন্তা করছিলাম। কাল ভোররাতে একা বের হইয়া কাড্ডার মোড়ে আইচি তারপর বাসে ঢাকায়।”
একা একা সিরাজগঞ্জ থেকে আসার কারণ জানতে চাইলে হাজ্বি চান মিয়া বলেন, “ছোটবেলায় জিয়াউর রহমানের সাথে হ্যান্ডশেক করছিলাম। তরপর থিকা আমি বিএনপি করি। নিজগো এলাকায় শহিদুল্লাহ নামের একজন এমপিতে খাড়ায়, সেও খুভ ভালা মানুষ। তাই জীবনের শুরু থিকা আমি বিএনপি করি। জিয়া মরার পর খালেদার রাজনীতিও খুব ভালা লাগত। শুধু খালেদা জিয়ার জন্য এখানে আইচি।”
হাজি চান আরও বলেন, “আমার বয়সও অনেক হইচে। কিন্তু খালেদারে মায়ের মতো দেখতাম। একন অনেক ভিড় হইব, তাই যাতি পারবো না। জানাজা শেষে মানুষ পাতলা হলে একটা বাসে উঠমু।”
শুধু তিনি একা নন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লাখো মানুষ জড়ো হয়েছিল ঢাকায়।
মাদারিপুর থেকে আসা পাপ্পু মিয়া বলেন, “এরশাদ আমল থেকে দেখছি খালেদা জিয়াকে। উনার মৃত্যুতে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়। উনার মৃত্যুতে কাছের আপন কেউ মারা যাওয়ার জন্য কষ্ট পেয়েছি।”
অন্যদিকে, আশুলিয়া থেকে জালাল সরকার বলেন, “খালেদা জিয়া দেশের সবার মা ছিল। উনার মৃত্যুতে পুরো জাতি এতিম হয়ে গেলো।”
নওগাঁর সাপাহার থেকে এসেছেন রেজাউল ইসলাম মিঠু। মিঠু বলেন, “আরা ১০০ জনের বেশি আচ্চি, দুইডা বাস ভাড়া করে সবাই মিল্লা আচ্চি। কারণ আমগো নেত্রীর ছেষ বিদায় অনুষ্ঠান। এলাকার বিএনপির নেতা–কর্মী মিল্লা সবাই আচ্চি। গতকাল ১০টায় বাসে উডছিলাম। আরা সবাই বিএনপিকে ভালোবাছি।”
কল্যাণপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার খালেদা জিয়াকে ভালো বা মন্দ লাগে না। কিন্তু মানুষ হিসেব অন্য মানুষের জানাজায় অংশ নিতে হয় তাই এখানে আইয়া পরছি।”
জয়পুরহাট থেকে এসেছেন মুকুল। এলাকায় রিকশা চালান তিনি। তবে খালেদা জিয়াকে ভালো লাগা থেকেই জানাযায় এসেছেন। মুকুল বলেন, ‘“বুদ্দির কাল থেকে আমি বিএনপির সমর্থক। খালেদা জিয়াকে খুউব ভালো লাগে। কাল রাইতের বাসে আইছিলাম, আইজ রাইতের বাসে আবার চলে যামু।”
চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন আনিছুর রহমান। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আনিছুর রহমান বলেন, “আমরা এক বাস হয়ে প্রায় ৫০ জন আইছিলাম বাজি। সবাই বিএনপির কর্মী ও সমর্থক। শুধু জানাজায় অংশ নিতে আমরা আইছিলাম।”

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে। আজ বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসনের জানাজায় অংশগ্রহণ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন সমর্থকেরা।
সিরাজগঞ্জ থেকে আসা ৭০–ঊর্ধ্ব বয়সী বিএনপির সমর্থক হাজি চান মিয়া বলেন, “খালেদা জিয়া মরার খবর হুনার পর থিকায় ঢাকা আসার চিন্তা করছিলাম। কাল ভোররাতে একা বের হইয়া কাড্ডার মোড়ে আইচি তারপর বাসে ঢাকায়।”
একা একা সিরাজগঞ্জ থেকে আসার কারণ জানতে চাইলে হাজ্বি চান মিয়া বলেন, “ছোটবেলায় জিয়াউর রহমানের সাথে হ্যান্ডশেক করছিলাম। তরপর থিকা আমি বিএনপি করি। নিজগো এলাকায় শহিদুল্লাহ নামের একজন এমপিতে খাড়ায়, সেও খুভ ভালা মানুষ। তাই জীবনের শুরু থিকা আমি বিএনপি করি। জিয়া মরার পর খালেদার রাজনীতিও খুব ভালা লাগত। শুধু খালেদা জিয়ার জন্য এখানে আইচি।”
হাজি চান আরও বলেন, “আমার বয়সও অনেক হইচে। কিন্তু খালেদারে মায়ের মতো দেখতাম। একন অনেক ভিড় হইব, তাই যাতি পারবো না। জানাজা শেষে মানুষ পাতলা হলে একটা বাসে উঠমু।”
শুধু তিনি একা নন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লাখো মানুষ জড়ো হয়েছিল ঢাকায়।
মাদারিপুর থেকে আসা পাপ্পু মিয়া বলেন, “এরশাদ আমল থেকে দেখছি খালেদা জিয়াকে। উনার মৃত্যুতে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়। উনার মৃত্যুতে কাছের আপন কেউ মারা যাওয়ার জন্য কষ্ট পেয়েছি।”
অন্যদিকে, আশুলিয়া থেকে জালাল সরকার বলেন, “খালেদা জিয়া দেশের সবার মা ছিল। উনার মৃত্যুতে পুরো জাতি এতিম হয়ে গেলো।”
নওগাঁর সাপাহার থেকে এসেছেন রেজাউল ইসলাম মিঠু। মিঠু বলেন, “আরা ১০০ জনের বেশি আচ্চি, দুইডা বাস ভাড়া করে সবাই মিল্লা আচ্চি। কারণ আমগো নেত্রীর ছেষ বিদায় অনুষ্ঠান। এলাকার বিএনপির নেতা–কর্মী মিল্লা সবাই আচ্চি। গতকাল ১০টায় বাসে উডছিলাম। আরা সবাই বিএনপিকে ভালোবাছি।”
কল্যাণপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার খালেদা জিয়াকে ভালো বা মন্দ লাগে না। কিন্তু মানুষ হিসেব অন্য মানুষের জানাজায় অংশ নিতে হয় তাই এখানে আইয়া পরছি।”
জয়পুরহাট থেকে এসেছেন মুকুল। এলাকায় রিকশা চালান তিনি। তবে খালেদা জিয়াকে ভালো লাগা থেকেই জানাযায় এসেছেন। মুকুল বলেন, ‘“বুদ্দির কাল থেকে আমি বিএনপির সমর্থক। খালেদা জিয়াকে খুউব ভালো লাগে। কাল রাইতের বাসে আইছিলাম, আইজ রাইতের বাসে আবার চলে যামু।”
চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন আনিছুর রহমান। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আনিছুর রহমান বলেন, “আমরা এক বাস হয়ে প্রায় ৫০ জন আইছিলাম বাজি। সবাই বিএনপির কর্মী ও সমর্থক। শুধু জানাজায় অংশ নিতে আমরা আইছিলাম।”
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।