
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ডলারের দর বাজারভিত্তিক করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তবে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবাহের ফলে ডলারের দর বাড়বে না বলে তিনি মনে করেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার এখন ভালো সময়। তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘এখন প্রবাসী আয় ভালো আসছে, রিজার্ভও স্থিতিশীল, উন্নতি হয়েছে লেনদেন ভারসাম্যের। আগামী জুন মাসের মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলার আসবে। এতে রিজার্ভ আরও বাড়বে। ফলে বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার এটাই ভালো সময়।’
আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, 'ডলারের দাম বাজারভিত্তিক করার মানেই যেকোনো দরে কিনবে তেমন না।'
ডলার এখন যে দরে বেচাকেনা হচ্ছে, বাজারভিত্তিক হলেও দাম তার আশপাশেই থাকবে বলে তিনি আশা করেন।

ডলারের দর বাজারভিত্তিক করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তবে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবাহের ফলে ডলারের দর বাড়বে না বলে তিনি মনে করেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার এখন ভালো সময়। তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘এখন প্রবাসী আয় ভালো আসছে, রিজার্ভও স্থিতিশীল, উন্নতি হয়েছে লেনদেন ভারসাম্যের। আগামী জুন মাসের মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলার আসবে। এতে রিজার্ভ আরও বাড়বে। ফলে বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার এটাই ভালো সময়।’
আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, 'ডলারের দাম বাজারভিত্তিক করার মানেই যেকোনো দরে কিনবে তেমন না।'
ডলার এখন যে দরে বেচাকেনা হচ্ছে, বাজারভিত্তিক হলেও দাম তার আশপাশেই থাকবে বলে তিনি আশা করেন।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।