logo
খবর

দ্রোহ আর প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১৩ ডিসেম্বর ২০২৪
Copied!
দ্রোহ আর প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই
কবি হেলাল হাফিজ। ছবি: সংগৃহীত

দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ মারা গেছেন। নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতার “এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়” অমর পঙ্‌ক্তির রচয়িতা তিনি।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সুপার হোস্টেলের ওয়াশরুমের দরজা খুলে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে ওয়াশরুমের দরজা খোলা হয়।

জানা যায়, পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন, এতে রক্তক্ষরণও হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে তার মরদেহ আছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল রেজাউল করিম। 

তিনি বলেন, “বেলা আড়াইটার দিকে হোটেলের লোকজন তাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসেন। পুলিশ বিষয়টি তত্বাবধায়ন করছে।”

কয়েক বছর ধরে গ্লুকোমা, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস ও স্নায়বিক ব্যাধিসহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন প্রতিভাধর এই কবি।

সাংবাদিক মাহমুদ হাফিজ জানিয়েছেন, শনিবার বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে কবির জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

কবি হেলাল হাফিজ ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা খোরশেদ আলী তালুকদার পেশায় ছিলেন স্কুলশিক্ষক আর মা কোকিলা বেগম গৃহিণী।

অনেকটা বোহেমিয়ান জীবন কাটালেও সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন কবি হেলাল হাফিজ

সাংবাদিক ও সাহিত্য সম্পাদক হিসাবে বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় কাজ করেছেন তিনি। সর্বশেষ দৈনিক যুগান্তরে কর্মরত ছিলেন তিনি।

হেলাল হাফিজের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে' প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে। ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ কাব্যগ্রন্থই হেলাল হাফিজকে দিয়েছে অসামান্য খ্যাতি। এরপর দীর্ঘদিন আর কোনো বই বের করেননি তিনি। ২০১২ সালে ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ কাব্যগ্রন্থের কবিতার সঙ্গে কিছু কবিতা যুক্ত করে প্রকাশ করা হয় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতা একাত্তর’। সর্বশেষ ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয় তৃতীয় কবিতার বই ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’।

এত কম কবিতা লিখে খ্যাতি পাওয়ার নজির বাংলাদেশের সাহিত্যে নেই।

সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৩ সালে তিনি কবিতায় বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

আরও দেখুন

৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট এখন দেশে

৩ লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট এখন দেশে

৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।

১৯ ঘণ্টা আগে

ভূমিকম্পে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ

ভূমিকম্পে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ

রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।

১ দিন আগে

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ

নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ

গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

২ দিন আগে

২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫০ জন প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫০ জন প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।

২ দিন আগে