
বিডিজেন ডেস্ক

সুনামগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
রোববার (৯ মার্চ) সকালে দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের রণভূমি গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, রণভূমি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান ও আশিক মিয়ার মধ্যে স্কুল, মাদরাসা ও মসজিদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দুই দিন আগে ব্যাক্তিগত একটি জায়গা বিক্রিকে কেন্দ্র করে রোববার তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ জড়ান তারা। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সংঘর্ষের পর পুরো গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশ অপরাধীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।’
এ ছাড়া, গ্রামে পুলিশ মোতায়েন আছে বলেও জানান ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

সুনামগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
রোববার (৯ মার্চ) সকালে দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের রণভূমি গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, রণভূমি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান ও আশিক মিয়ার মধ্যে স্কুল, মাদরাসা ও মসজিদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দুই দিন আগে ব্যাক্তিগত একটি জায়গা বিক্রিকে কেন্দ্র করে রোববার তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ জড়ান তারা। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হয়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সংঘর্ষের পর পুরো গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশ অপরাধীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।’
এ ছাড়া, গ্রামে পুলিশ মোতায়েন আছে বলেও জানান ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।