
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটে চলমান ডেভিল হান্ট অপারেশনে আরও ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- সিলেটের জালালাবাদ থানার সাহেবেরগাও, টুকেরবাজরের আকমল হোসেন (৪২), শাহপরান থানার সাদাটিকর নয়াগাঁও এলাকার সাহান আহমদ (৩৭), সেচ্ছাসেবকলীগের সিলেট মহানগর শাখার সহ-সভাপতি বিমানবন্দর থানার সুবিদবাজার বনকলাপাড়া এলাকার মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার (৪৬) , যুবলীগের কর্মী তেররতন শাহজালাল উপশহর এলাকার অন্তর খান (২৫), একই এলাকার মো. ফুল মিয়া (৪৫), স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ওসমানীনগরের নূরপুর এলাকার আমির উদ্দিন (৩০), একই এলাকার কামরুল ইসলাম কালু (২৭), আওয়ামী লীগের দাউদপুর ইউনিয়ন শাখার কোষাধ্যক্ষ এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মোগলাবাজার থানার তুরুকখলা এলাকার মো. আকমল আলী (৫২), আওয়ামী লীগ কর্মী সিলেট নগরীর বালুচর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলাম শিপলু (৩৫), সাবেক এমপি হাবিবুর রহমানের ভাগিনা এবং বিশ্বনাথ থানার অলংকারী ইউনিয়নের সক্রিয় যুবলীগ কর্মী হইদরপুর গ্রামের কসুদ মিয়া চৌধুরী লিপন (৩৮), গোয়াইনঘাটের ৬ নম্বর ফতেহপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফতেহপুর ৫ম খন্ড এলাকার আব্দুল্লাহ আল রহমান (৪০), কানাইঘাটের খালেরপাড় এলাকার সৈয়দ গোলাম আলী (৫০) এবং সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল (৪২)।
এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিলেটে চলমান ডেভিল হান্ট অপারেশনে আরও ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- সিলেটের জালালাবাদ থানার সাহেবেরগাও, টুকেরবাজরের আকমল হোসেন (৪২), শাহপরান থানার সাদাটিকর নয়াগাঁও এলাকার সাহান আহমদ (৩৭), সেচ্ছাসেবকলীগের সিলেট মহানগর শাখার সহ-সভাপতি বিমানবন্দর থানার সুবিদবাজার বনকলাপাড়া এলাকার মো. জসিম উদ্দিন তালুকদার (৪৬) , যুবলীগের কর্মী তেররতন শাহজালাল উপশহর এলাকার অন্তর খান (২৫), একই এলাকার মো. ফুল মিয়া (৪৫), স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ওসমানীনগরের নূরপুর এলাকার আমির উদ্দিন (৩০), একই এলাকার কামরুল ইসলাম কালু (২৭), আওয়ামী লীগের দাউদপুর ইউনিয়ন শাখার কোষাধ্যক্ষ এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মোগলাবাজার থানার তুরুকখলা এলাকার মো. আকমল আলী (৫২), আওয়ামী লীগ কর্মী সিলেট নগরীর বালুচর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলাম শিপলু (৩৫), সাবেক এমপি হাবিবুর রহমানের ভাগিনা এবং বিশ্বনাথ থানার অলংকারী ইউনিয়নের সক্রিয় যুবলীগ কর্মী হইদরপুর গ্রামের কসুদ মিয়া চৌধুরী লিপন (৩৮), গোয়াইনঘাটের ৬ নম্বর ফতেহপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফতেহপুর ৫ম খন্ড এলাকার আব্দুল্লাহ আল রহমান (৪০), কানাইঘাটের খালেরপাড় এলাকার সৈয়দ গোলাম আলী (৫০) এবং সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল (৪২)।
এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।