
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে পদোন্নতি ও রদবদল হয়েছে। মেজর জেনারেল পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক পদে পরিবর্তন করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সেনাবাহিনীতে এই পদোন্নতি ও রদবদলের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পদোন্নতি পাওয়া নতুন দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন মো. ফয়জুর রহমান ও মো. মাইনুর রহমান। এর মধ্যে মো. ফয়জুর রহমান ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন। তাঁকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে সেনা সদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। আর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের (চট্টগ্রাম) জিওসি মো. মাইনুর রহমানকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি করা হয়েছে।
ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ ছাড়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থেকে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন চারজন। তারা হলেন মো. খালেদ আল মামুন, সৈয়দ তারেক হোসেন, এস এম কামরুল হাসান ও চৌধুরী মোহাম্মদ আজিজুল হক হাজারী।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে পদোন্নতি ও রদবদল হয়েছে। মেজর জেনারেল পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক পদে পরিবর্তন করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র সেনাবাহিনীতে এই পদোন্নতি ও রদবদলের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পদোন্নতি পাওয়া নতুন দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন মো. ফয়জুর রহমান ও মো. মাইনুর রহমান। এর মধ্যে মো. ফয়জুর রহমান ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক ছিলেন। তাঁকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে সেনা সদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। আর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের (চট্টগ্রাম) জিওসি মো. মাইনুর রহমানকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি করা হয়েছে।
ডিজিএফআইয়ের নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি কুমিল্লায় ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ ছাড়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থেকে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন চারজন। তারা হলেন মো. খালেদ আল মামুন, সৈয়দ তারেক হোসেন, এস এম কামরুল হাসান ও চৌধুরী মোহাম্মদ আজিজুল হক হাজারী।
ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মরদেহ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৪ জনের লাশ আমরা গ্রহণ করেছি আর একজনের লাশ পরিবারের সম্মতিতে সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন হবে। সেখানেই লিমন ও বৃষ্টিকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হবে। বৃষ্টি ও লিমনের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে।