
বিডিজেন ডেস্ক

দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরহাদ হোসেন ওরফে রনি (৩১)। তাঁর সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি। গতকাল শনিবার (৫ জুলাই) সকালে একটি ভবনে কাজ করার সময় ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে পড়লে তার নিচে চাপা পড়ে তিনি মারা যান।
খবর প্রথম আলোর।
ফরহাদ হোসেন যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী গ্রামের মাহামুদ সরদারের ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফরহাদ হোসেনের একটি বোন আছে। বোনের বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে তাঁর মা-বাবা, স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের একটি মেয়ে আছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে মালয়েশিয়া যান ফরহাদ। মালয়েশিয়ার শেরেমবান শহরে তিনি একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল সকালে তিনি সেখানে কাজ করছিলেন। তাঁর পাশে কাজ করছিলেন একই এলাকার আবদুল কুদ্দুস। সকাল আটটার দিকে হঠাৎ করে ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে যায়। এতে ফরহাদ ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। সকাল ১০টার দিকে আবদুল কুদ্দুস ফরহাদের পরিবারের সদস্যদের ফোন করে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, ফরহাদের মরদেহ দেশে আনার জন্য সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকেরা চেষ্টা করছেন। আগামী মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতে পারে।
ফরহাদের বাবা মাহামুদ সরদার বলেন, ‘ফরহাদ আমার একমাত্র ছেলে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ওকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আমার সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে। ফরহাদকে পাঠাতে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলাম। সে ঋণও সব শোধ করতে পারিনি। এখন কী করে চলব আর ওর স্ত্রী ও মেয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, ভাবতে পারছি না।’
সূত্র: প্রথম আলো

দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরহাদ হোসেন ওরফে রনি (৩১)। তাঁর সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি। গতকাল শনিবার (৫ জুলাই) সকালে একটি ভবনে কাজ করার সময় ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে পড়লে তার নিচে চাপা পড়ে তিনি মারা যান।
খবর প্রথম আলোর।
ফরহাদ হোসেন যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়ী গ্রামের মাহামুদ সরদারের ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফরহাদ হোসেনের একটি বোন আছে। বোনের বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে তাঁর মা-বাবা, স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের একটি মেয়ে আছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে মালয়েশিয়া যান ফরহাদ। মালয়েশিয়ার শেরেমবান শহরে তিনি একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল সকালে তিনি সেখানে কাজ করছিলেন। তাঁর পাশে কাজ করছিলেন একই এলাকার আবদুল কুদ্দুস। সকাল আটটার দিকে হঠাৎ করে ক্রেনের চেইন ছিঁড়ে যায়। এতে ফরহাদ ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। সকাল ১০টার দিকে আবদুল কুদ্দুস ফরহাদের পরিবারের সদস্যদের ফোন করে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, ফরহাদের মরদেহ দেশে আনার জন্য সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকেরা চেষ্টা করছেন। আগামী মঙ্গলবার তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতে পারে।
ফরহাদের বাবা মাহামুদ সরদার বলেন, ‘ফরহাদ আমার একমাত্র ছেলে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ওকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। আমার সে স্বপ্ন ভেঙে গেছে। ফরহাদকে পাঠাতে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করেছিলাম। সে ঋণও সব শোধ করতে পারিনি। এখন কী করে চলব আর ওর স্ত্রী ও মেয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, ভাবতে পারছি না।’
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।