
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধামে শিবচতুর্দশীর মেলায় তীর্থ করতে আসা তিনজন পুণ্যার্থী ভিড়ে চাপা পড়ে মারা গেছে। আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা ও বেলা ১টার দিকে চন্দ্রনাথ মন্দিরের সামনে এই পুণ্যার্থীদের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী রয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
তিন দিনের শিবচতুর্দশী মেলার আজ ছিল দ্বিতীয় দিন। এবার মেলার প্রথম দিনে তীর্থযাত্রী তুলনামূলক কম এলেও দ্বিতীয় দিনে মেলায় উপচে পড়া ভিড় ছিল। পাহাড়ি পথে পা ফেলার জায়গা ছিল না। চন্দ্রনাথ মন্দিরের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট ওপরে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায়। ভূমি থেকে চন্দ্রনাথ মন্দির পর্যন্ত পৌঁছাতে আঁকাবাঁকা দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করতে হয় পুণ্যার্থীদের। অনেক পুণ্যার্থী ওই পথে উঠতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ঢোকার পথে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী স্ট্রোক করে মারা গেছে। ওই তরুণীর নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে তাকে নামিয়ে এনেছে। এরপর বেলা ১টার দিকে তারা খবর পান, চন্দ্রনাথ ধামে আরও দুজন পুণ্যার্থী মারা গেছে। পরে তিনি ফায়ার কর্মীদের নিয়ে চন্দ্রনাথ ধামের দিকে রওনা দেন। বেলা ৩টার দিকে ২টি লাশ মন্দির এলাকা থেকে উদ্ধার করে সমতলে নামিয়ে আনেন। পরে সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশের হাতে লাশ হস্তান্তর করা হয়। নিহত দুজনের বয়স ৫০ বছর। এর মধ্যে একজন পুরুষ। তার নাম বান্ট বলে জানা গেছে। বাবার নাম মাখন। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহত নারী পুণ্যার্থীর নাম, পরিচয় জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মন্দিরে ঢোকার জন্য প্রবেশপথে প্রচুর ভিড়ের সৃষ্টি হয়। এই সময় কেউ হিটস্ট্রোক করে আবার কেউ ভিড়ের চাপে মারা গিয়ে থাকতে পারে।
তবে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একজন পুরুষ ও একজন নারী নিহত হওয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। তবে ১৮ বছরের তরুণী মারা গেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
সীতাকুণ্ড স্রাইন (মন্দির) কমিটির সহসম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, মেলার প্রথম দিনে এবার দর্শনার্থী তুলনামূলক কম ছিল। কিন্তু আজ মেলার দ্বিতীয় দিনে দর্শনার্থীদের এত ভিড় ছিল যে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ওঠার পথে পা ফেলার জায়গা ছিল না। চন্দ্রনাথ মন্দিরে দুজন তীর্থযাত্রী মারা যাওয়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। কিন্তু নাম–পরিচয় পাননি।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধামে শিবচতুর্দশীর মেলায় তীর্থ করতে আসা তিনজন পুণ্যার্থী ভিড়ে চাপা পড়ে মারা গেছে। আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা ও বেলা ১টার দিকে চন্দ্রনাথ মন্দিরের সামনে এই পুণ্যার্থীদের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী রয়েছে।
খবর প্রথম আলোর।
তিন দিনের শিবচতুর্দশী মেলার আজ ছিল দ্বিতীয় দিন। এবার মেলার প্রথম দিনে তীর্থযাত্রী তুলনামূলক কম এলেও দ্বিতীয় দিনে মেলায় উপচে পড়া ভিড় ছিল। পাহাড়ি পথে পা ফেলার জায়গা ছিল না। চন্দ্রনাথ মন্দিরের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ ফুট ওপরে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়ায়। ভূমি থেকে চন্দ্রনাথ মন্দির পর্যন্ত পৌঁছাতে আঁকাবাঁকা দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করতে হয় পুণ্যার্থীদের। অনেক পুণ্যার্থী ওই পথে উঠতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ঢোকার পথে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী স্ট্রোক করে মারা গেছে। ওই তরুণীর নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। পরিবারের সদস্যরা নিজ উদ্যোগে তাকে নামিয়ে এনেছে। এরপর বেলা ১টার দিকে তারা খবর পান, চন্দ্রনাথ ধামে আরও দুজন পুণ্যার্থী মারা গেছে। পরে তিনি ফায়ার কর্মীদের নিয়ে চন্দ্রনাথ ধামের দিকে রওনা দেন। বেলা ৩টার দিকে ২টি লাশ মন্দির এলাকা থেকে উদ্ধার করে সমতলে নামিয়ে আনেন। পরে সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশের হাতে লাশ হস্তান্তর করা হয়। নিহত দুজনের বয়স ৫০ বছর। এর মধ্যে একজন পুরুষ। তার নাম বান্ট বলে জানা গেছে। বাবার নাম মাখন। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহত নারী পুণ্যার্থীর নাম, পরিচয় জানা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মন্দিরে ঢোকার জন্য প্রবেশপথে প্রচুর ভিড়ের সৃষ্টি হয়। এই সময় কেউ হিটস্ট্রোক করে আবার কেউ ভিড়ের চাপে মারা গিয়ে থাকতে পারে।
তবে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একজন পুরুষ ও একজন নারী নিহত হওয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। তবে ১৮ বছরের তরুণী মারা গেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
সীতাকুণ্ড স্রাইন (মন্দির) কমিটির সহসম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, মেলার প্রথম দিনে এবার দর্শনার্থী তুলনামূলক কম ছিল। কিন্তু আজ মেলার দ্বিতীয় দিনে দর্শনার্থীদের এত ভিড় ছিল যে চন্দ্রনাথ মন্দিরে ওঠার পথে পা ফেলার জায়গা ছিল না। চন্দ্রনাথ মন্দিরে দুজন তীর্থযাত্রী মারা যাওয়ার বিষয়টি তারা শুনেছেন। কিন্তু নাম–পরিচয় পাননি।
সূত্র: প্রথম আলো
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।